ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন। দুই মাস অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করে গত ১৫ নভেম্বর তিনি দেশে ফিরেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা শাবনূর রোজার আগে দেশে ফিরেছিলেন। দেশে ফেরার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিলো যেসব সিনেমার কাজ বাকি ছিলো সেসব সিনেমার কাজ শেষ করবেন তিনি। তবে কোনো সিনেমার কাজ শেষ না করেই গত ৫ আগস্ট আবার অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্য দেশ ছাড়ছেন ‘তোমাকে চাই’ খ্যাত শাবনূর।
২০ বছরের ক্যারিয়ারে শেষ পর্যায়ে এসে অনিয়মিত হয়ে পড়া এহতেশামের ‘চাঁদনী রাতে’র এ নায়িকা অতিরিক্ত মেদ কমানোর জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। তবে এবার নিজের মেদ কমিয়ে ভিন্ন রূপে দেশে ফিরেছেন সুপারহিট এ নায়িকা।
২০১৩ সালে মোস্তাফিজুর রহমান পরিচালিত ‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’ সিনেমাটি শেষ করেই অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান। সে সময়ে জানা যায় শাবনূরের বিয়ের কথা। নায়ক অনিকের সঙ্গে ঘর বাধেঁন শাবনূর। এর কয়েক মাস পরেই ২০১৩ সালে ২৯ ডিসেম্বর শাবনূরের কোল জুড়ে আসে ছেলে সন্তান আইজান।
এরপর থেকেই জোড় গুঞ্জন ওঠে শাবনূর দেশে ফিরছেন। ছেলে আইজানকে দেশে ফিরলেও শুটিং এর কাজে সময় দিতে পারছিলেন না তিনি। তবে বেশ কিছু দিন ধরে তার চিরচেনা জায়গা এফডিসিতে টানা তিনদিন একটি অসমাপ্ত সিনেমার গানের শুটিং এ অভিনয় করেন তিনি।
শাবনূর অভিনীত প্রায় চারটি সিনেমার কাজ শেষ না হওয়ার কারণে পরিচালকরা ছবিগুলো মুক্তি দিতে পারছেন না। এরমধ্যে তিন বছর ধরে আটকে আছে মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘এইতো প্রেম’, মোস্তোফিজুর রহমান বাবু পরিচালিত ‘অবুঝ ভালোবাসা’ সিনেমাটি আটকে আছে প্রায় চার বছর ধরে।
এছাড়া পাঁচ বছর ধরে আটকে আছে নজরুল ইসলাম খান পরিচালিত ‘স্বপ্নের বিদেশ’ সিনেমাটির কাজ। অতিরিক্ত মেদের কারণে সিনেমাগুলো আটকে আছে বলে অনেক নির্মাতারা মনে করেন। তাই বাকি কাজগুলো শেষ করার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে মেদ কমিয়ে আবার ফিরেছেন এই নায়িকা।







