ভারতের অনেক রাজ্যে ভ্যাকসিনের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বরাদ্দকৃত মোট ভ্যাকসিনে প্রায় ২৩ শতাংশ অপচয় হয়েছে বলে জানিয়েছে রাইট টু ইনফোরমেশন (আরটিআই)।
এনডিটিভি জানিয়েছে, এর মধ্যে সবচেয়ে অপচয় হয়েছে তামিলনাড়ু, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, মণিপুর এবং তেলেঙ্গানায়।
আরটিআইয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ কোটি ডোজের মধ্য থেকে ৪৪ লাখের বেশি ভ্যাকসিনে ডোজ নষ্ট হয়েছে।
ভারতের তামিলনাড়ুতে সবচেয়ে বেশি ১২.১০ শতাংশ অপচয় হয়েছে, এরপর হরিয়ানায় ৯.৭৪ শতাংশ, পাঞ্জাবে ৮.১২ শতাংশ, মণিপুরে 8.৮ শতাংশ এবং তেলেঙ্গানায় ৫.৫৫ শতাংশ।
দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগামী ১ মে থেকে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সব লোককেই ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হবে।
এখন পর্যন্ত তিনটি ভ্যাকসিন অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার। এরমধ্যে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উৎপাদন করছে ভারতের ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট। কোভ্যাক্সিন নামে আরেকটি ভ্যাকসিন উৎপাদন করছে ভারত বায়োটেক। এ ছাড়া রাশিয়ার বানানো স্পুতনিক-ভি ভ্যাকসিনও ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে ভারত।







