ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানায় তীব্র তাপদাহে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮শ’ ছাড়িয়েছে। শুধু অন্ধ্র প্রদেশেই মারা গেছে ৫শ ৫১জন। তাপদাহ আরো তিনদিন অব্যহত থাকবে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর। প্রাণহানি ঠেকাতে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে অন্ধ্র প্রদেশ ও তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকার।
তাপদাহের মধ্যেই পশ্চিম বঙ্গে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার ঘন্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১শরও বেশি ঘরবাড়ি। বন্ধ হয়ে যায় ঝাড়খন্ড-পশ্চিমবঙ্গ মহাসড়ক। সারা ভারতে তীব্র খরতাপে জনজীবন বিপর্যস্ত হলেও প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালে কাশ্মীরে হয়েছে তুষারপাত।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, সোমবার অন্ধ্র প্রদেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রাজধানী দিল্লির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি।উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদে গত পাঁচ বছরের মধ্যে সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তাপদাহের তীব্রতায় সবচেয়ে দুর্বিষহ অবস্থায় রয়েছে অন্ধ্র ও তেলেঙ্গানার মানুষ। এ পর্যন্ত অন্ধ্র প্রদেশে তাপদাহে মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে। শুধু সোমবারই ওই রাজ্যে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়। তেলেঙ্গানায় রোববার পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৮৬ জনের। এ রাজ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৭ ডিগ্রি।
অন্ধ্র ও তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকার হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচতে গণসতর্কতা জারি করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে জনগণকে প্রচুর পানীয় ও তরল খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া তাদেরকে রোদ এড়িয়ে ছায়াযুক্ত স্থানে অবস্থান নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
সারা ভারতজুড়ে প্রচন্ড খরতাপে ওষ্ঠাগত জনজীবন, ঠিক তখনই কাশ্মীরে তুষারপাতের খবরে ভিড় জমিয়েছে পর্যটকরা। এ যেনো প্রকৃতির বিচিত্র লীলা খেলা।







