নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরে হওয়া সমঝোতাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। ছিটমহলের কাজ অনেকদূর এগিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশই আরও দু’টি করে সহকারি হাইকমিশন খুলছে।
চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান ‘এক্সক্লুসিভ’ এর অতিথি হিসেবে এসে অভিন্ন নদী সমস্যার সমাধানেও আশাবাদের কথা জানান মন্ত্রী। তার সাক্ষাৎকারটি প্রচার হবে রোববার বিকেল ৫টায়।
‘ভারত সব নিয়ে যাচ্ছে, দিচ্ছে না কিছুই’ বলে যারা হাপিত্যেশ করছেন তাদের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন অংশীদারের সঙ্গে সম্পর্কটা দেনা-পাওনারই হয়।
মাহমুদ আলী বলেন, ‘মাত্র তিনদিন আগে (১৬ জুন ভুটানে) জয়েণ্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কাজের মাধ্যমে স্থল সীমানা চুক্তি বাস্তবায়নের কাজ এতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘দুদেশের সরকারের এখন মূল কর্তব্য হলো যে সমস্ত চুক্তি হয়েছে সেগুলোর বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করা।’
‘গৌহাটিতে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন স্থাপিত হতে যাচ্ছে এবং আগরতলায় যে ভিসা অফিস আছে সেখানকার জন্য একজন সহকারী হাইকমিশনার নির্বাচিত করেছি। তেমনি ভারতও সিলেট এবং খুলনায় সহকারী হাইকমিশন খুলবে।’-বলেন মন্ত্রী।
শুধু দেনা-পাওনা নয়, বরং দুই দেশর মানুষের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের কথাও বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, উন্নয়নটা মানুষের জন্যই।
ভারতের লোকসভায় সীমান্ত বিলটি অনুমোদিত হওয়ায় নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরে ওই ইস্যুটি ছিলো নিতান্তই আনুষ্ঠানিকতার অংশ। বরং সবাই তাকিয়ে ছিলো তিস্তার পানি বন্টন চুক্তির দিকেই। মোদির সফরসঙ্গী হলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবারও চুক্তিতে সায় দেননি।
তিস্তার পানি ভাগাভাগি নিয়ে সমঝোতা হয়নি, বরং আবারও মিলেছে আশ্বাস। এবার মোদি বলেছেন, দুই দেশের সবকটি নদী নিয়ে সমঝোতার কথা। মোদির আশ্বাস আর তার রাজনৈতিক সদিচ্ছা এরই মধ্যে নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাদেশকে। তার ওপর গত সপ্তাহে চার দেশের মধ্যে সই হওয়া অান্তরাষ্ট্রীয় যোগাযোগ চুক্তিটি সাহস যোগাচ্ছে বড় কিছু ভাবার।







