ভারতের লোকসভায় বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমানা বিল উত্থাপিত হয়েছে। ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ লোকসভায় বিলটি আলোচনার জন্য পেশ করেন।
এরআগে গতকাল বুধবার বিলটি রাজ্যসভায় পাস হয়।
চুক্তিটি হলে দু’দেশের মধ্যে যে ৬.৫ কিলোমিটার এলাকা চিহ্নিত নয় তা চিহ্নিত হয়ে যাবে। আর চুক্তি বাস্তবায়ন হলে দু’ দেশের মধ্যে থাকা ছিটমহলের মানুষেরা পাবে মূল দেশের পরিচয়। এর ফলে বাংলাদেশকে ১১১টি ছিটমহল ফেরত দেবে ভারত। এগুলোর মোট আয়তন ১৭ হাজার ১৬০ একর। অন্যদিকে ভারতকে বাংলাদেশ ৫১টি ছিটমহল দেবে যেগুলোর আয়তন ৭ হাজার ১০ একর।
১৯৭৪-এ মুজিব-ইন্দিরা চুক্তিতে সীমান্ত এবং অপদখলীয় জমির হিসাব পরিস্কার উল্লেখ থাকলেও ভারতের পার্লামেন্টে বিলটি পাস না হওয়ায়, তার স্থায়ী সমাধান হয়নি। ঝুলে থাকা সেই সীমান্ত সমস্যা সমাধানে কূটনৈতিক তৎপরতা ব্যর্থ হয়েছে বারবারই।
১৯৭৪ সালের পর ১৯৯২ সালে তিন বিঘা করিডর ব্যবহার করতে দিয়েছিলো ভারত। সই হয় সীমান্ত প্রটোকলও। তারপর রাজ্যসভায় বিলটি সংশোধনের জন্য উত্থাপিতও হয়। পরে গত বছর বিলটি সংসদীয় কমিটিতে অনুমোদন হয় এবং লোকসভার জন্য উত্থাপিত হয়। কিন্তু ভেটো দেয় বিজেপি।
সর্বশেষ মনমোহন সিংয়ের কংগ্রেস সরকার চেষ্টা করলেও বিরোধী জোট বিজেপি’র বাধায় সেই চেষ্টা ভেস্তে যায়। এবার নরেন্দ্র মোদির সেই বিজেপিই সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান চাচ্ছে। কিন্তু আবারও ভোটের রাজনীতির ফাঁদে পড়ে যায় সীমান্ত বিলটি।





