ভারতীয় টেলিকম কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ১ লাখ ৩৩ হাজার কোটি রুপি বকেয়া আদায় করতে কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ বিভাগকে অনুমোদন দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
বৃহস্পতিবার টেলিকম কোম্পানিগুলোর করা আপীল প্রত্যাখ্যান করে কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ বিভাগের পক্ষে রায় দেন সুপ্রিম কোর্ট।
এর ফলে ভারতের মোবাইল অপারেটর এয়ারটেল, রিল্যায়েন্স কমিউনিকেশন্স এবং ভোডাফোন আইডিয়াকে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
এই রায়ের ফলে এয়ারটেল, ভোডাফোন এবং রিল্যায়েন্স কমিউনিকেশন্সকে ৯২ কোটি রুপি লাইসেন্স বাবদ বকেয়া ফি এবং ৪১ কোটি রুপি বর্ণালী ব্যবহারের ফি হিসাবে প্রদান করতে হবে।
এছাড়া বকেয়া লাইসেন্স ফি বাবদ ভারতী এয়ারটেলের কাছে ২১ হাজার ৬৮২ কোটি, ১৯ হাজার ৮২৩ কোটি ভোডাফোন গ্রুপ, ১ হাজার ৬৪৫ কোটি রুপি রিল্যায়েন্স কমিউনিকেশন্স এবং ৮ হাজার ৪৮৫ কোটি রুপি আইডিয়া সেলুলার থেকে দাবি করেছে টেলিযোগাযোগ বিভাগ।
এই রায় ভারতের কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ বিভাগের জন্য অর্জনের বিপরীতে মোবাইল অপারটেরগুলোর জন্য বড় রকমের ধাক্কা।
রায়ের পর হতাশা ব্যক্ত করে ভারতী এয়ারটেলের মুখপাত্র জানান, সুপ্রিম কোর্টের রায় শুনে আমরা হতাশ! এজিআর এর সংজ্ঞাটি নিয়ে ২০০৫ সাল থেকে ডিওটি এবং টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডারদের (টিএসপি) এর মধ্যে বিতর্ক ছিল।
‘অপারেটরগুলো টেলিকম সেক্টরের উন্নয়নে এবং গ্রাহকদের বিশ্বমানের পরিষেবা প্রদান করতে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এসেছে যখন এই খাতটি মারাত্মক আর্থিক চাপের মুখোমুখি এবং সামগ্রিকভাবে এই রায়ের ফলে খাতটির কাযকারিতা আরও দুর্বল হতে পারে। দুটি প্রাইভেট বেসরকারি খাত ছাড়া ১৫ টি পুরনো অপারেটর এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সরকারকে এই বিষয়টি পযালোচনা করতে হবে এবং ইতোমধ্যে চাপে থাকা এই শিল্পের আর্থিক চাপ হ্রাস করার উপযুক্ত উপায় তালাশ করতে হবে’, বলেন এয়ারটেলের মুখপাত্র।
সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পর ভোডাফোন আইডিয়ার শেয়ারের পরিমাণ ১৯ শতাংশ পতন হয়েছে। আর ভারতী এয়ারটেলের দরপতন হয়েছে ৫ শতাংশেরও বেশি।







