জুনে তিন ওয়ানডের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ধোনি-কোহলিদের বিরুদ্ধে সিরিজ জিততে পারলেই ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের সাতে উঠার সুযোগ থাকছে সাকিব-মাশরাফিদের সামনে।
বিশ্বকাপে দারুণ পারফর্ম আর ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবারের মতো আটে উঠেেছে বাংলাদেশ।
সাত ও আটে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ-বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট সমান ৮৮। আর নবম স্থানে থাকা পাকিস্তানের ৮৭। এর ফলে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত আট নম্বরের মধ্যে থাকতে পারলে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ।
পয়েন্ট বাড়ানোর লড়াইয়ে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সুযোগ বেশি। কারণ সেপ্টেম্বরের আগে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে দুটো দলই। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো সিরিজ নেই।
জুনে ভারত এবং জুলাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাই সহজেই টপকে যাওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে।
দুই দলেরই রেটিং পয়েন্ট ৮৮। ৩৫ ম্যাচে ৩ হাজার ৯৪ পয়েন্ট ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ২৮ ম্যাচে বাংলাদেশের পয়েন্ট ২ হাজার ৪শ’ ৭১। সমান রেটিং পয়েন্ট নিয়েও ভগ্নাংশের সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকা সাতে ক্যারিবীয়রা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৮৮ দশমিক ৪ এবং বাংলাদেশের ৮৮ দশমিক ২৫।
আবার ৪৩ ম্যাচে পাকিস্তানের পয়েন্ট ৮৭। সাত, আট ও নয় নম্বর দলের মধ্যে ব্যবধান খুবই সামান্য। ফলে তিন দলের মধ্যেই রেটিং পয়েন্ট নিয়ে একটা নিরব লড়াই চলবে।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ ৭৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে নয় নম্বরে ছিল। ৯৫ পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তান ছিল সাতে । আর একই সময়ে ৯২ পয়েন্ট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছিল আটে। পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দু’ দলই কিছু রেটিং পয়েন্ট হারিয়েছে। বিপরীতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ১২ রেটিং পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
পয়েন্ট পাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: র্যাঙ্কিংয়ের নিচের দিকে থাকা দলগুলো উপরের দিকে থাকা দলগুলোকে হারালে বেশি পয়েন্ট পায়। আর র্যাঙ্কিংয়ের উপরে থাকা দলগুলো নিচের দিকের দলগুলোকে হারালেরপায় কম পয়েন্ট। পাকিস্তানকে হারিয়ে সেই সুবিধেটাই পেয়েছে বাংলাদেশ।
সেই কারণেই জুনে ভারতের বাংলাদেশ সফরটা গুরুত্বপূর্ণ। ১১৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে র্যাঙ্কিয়ের দুই নম্বরে আছে ভারত। তাদের হারাতে পারলে বেশ কিছু পয়েন্ট পাবে বাংলাদেশ।
ভারতের পর জুলাই সাসে আসবে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর অস্ট্রেলিয়া আসবে বাংলাদেশ সফরে। তার উপর এই সময়ের মধ্যে কোনো ওয়ানডে সিরিজ নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
এই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সাতে উঠতে পারলে বাংলাদেশ খেলতে পারবে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও। শীর্ষ আটে না থেকেও স্বাগতিক হওয়ায় টুর্নামেন্টে এমনিতেই খেলতে পারবে ইংল্যান্ড। ফলে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি এবং ২০১৯ বিশ্বকাপে অবস্থান শক্ত করতে ভারতকে হারানোটা খুব গুরুত্বপূর্ণ টাইগারদের জন্য।







