বার্মিংহাম থেকে: ক্রিকেটারদের চার দিনের ছুটি শুরু হয়েছে মঙ্গলবার থেকে। অনেকেই বার্মিংহাম এসে চলে গেছেন অন্য শহরে। হোটেলে যে কয়জন আছেন, তাদেরও ঘুরতে বের হওয়ার তাড়া। অনুরোধ, অপেক্ষার পর টিম ম্যানেজমেন্ট ছুটির দিনেও মিডিয়ার মুখোমুখি হতে পাঠাল মেহেদী হাসান মিরাজকে।
বড় মঞ্চে জয়ের দুয়ারে গিয়ে ভারতের কাছে হারের বেশ কয়েকটি তিক্ত অভিজ্ঞতা খুব পুরনো নয় বাংলাদেশের। তীরে এসে তরী ডুবতে একাধিকবার দেখেছেন মিরাজ। তরুণ অফস্পিনিং অলরাউন্ডার এবার আত্মবিশ্বাসী ভারতকে হারাতে পারবে বাংলাদেশ।
আগামী ২ জুলাই এজবাস্টনে ভারত-বধের মিশনে সফল হতে অবশ্য সৌভাগ্যেও পাশে চাইলেন টাইগার অলরাউন্ডার, ‘ভারতের সঙ্গে যত ম্যাচই খেলেছি, আমরা কিন্তু খুব কাছে গিয়ে হেরেছি। আসলে বলব যে আমাদের লাকটা কম ফেভার করেছে। ভাগ্য যদি আমাদের সাথে থাকে তাহলে আমরা এই ম্যাচটা জিততে পারব।’
‘অবশ্যই ভারত কঠিন প্রতিপক্ষ। তারা ডমিনেট করে খেলছে, ভালো ক্রিকেট খেলছে। তাই বলে আমরা ওরকম চাপ নিচ্ছি না। আমাদের সহজাত খেলা খেলেই ভালো কিছু করতে পারি।’
মিরাজের আত্মবিশ্বাসের কারণ দলের ভালো পারফরম্যান্স ও সবার অবদানে এগিয়ে যাওয়া। অর্থাৎ টিম পারফরম্যান্স, ‘সবার আত্মবিশ্বাস আছে, টিমের সবাই খুব ভালো অবস্থায় আছে। কেননা টিম খুব ভালো খেলছে। সাকিব ভাই সবাইকে ডমিনেট করছে। ব্যাটিংয়ে সর্বোচ্চ রান। বোলিংয়ে উইকেট নিচ্ছে। মুশফিক ভাই, রিয়াদ (মাহমুদউল্লাহ) ভাইরা ভালো খেলতেছে। তামিম ভাইও টুকটাক ইনিংস খেলছে।’
‘লিটন দাস খুব ভালো একটা ইনিংস খেলেছে। জুনিয়রদের মধ্যে আমি, সাইফউদ্দিন, মোস্তাফিজ, মোসাদ্দেক যতটুকু দেয়ার চেষ্টা করছি সেভাবে শতভাগ দিতে। আমরা সবাই যে চেষ্টাটা করছি তাদের মাঝে একটা যোগাযোগ আছে।’
ভারতের সঙ্গে বড় মঞ্চে বরাবরই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বাংলাদেশের। তবে ২০০৭ সালের বিশ্বকাপের পর লড়াই জমালেও বড় মঞ্চে ভারত-বধ করতে পারেনি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার দল। সেই আক্ষেপ এজবাস্টনে বিশ্বকাপের মঞ্চেই মেটাতে মরিয়া টিম টাইগার্স।








