৫৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। শুরুতেই তামিমের উইকেট হারানোর পর, একে একে চার ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নের পথ ধরলে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেট হারিয়ে ৯৯ রান।
শুরুতেই তামিম ইকবালের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই জুনায়েদ খানের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরে যান তিনি।
তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন মুমিনুল হক। তবে তিনিও বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। স্কোর বোর্ডে ৩৪ রান যোগ হতেই ১৩ রান করে জুনায়েদ খানের শিকারে পরিনত হন তিনি।
তার বিদায়ে ইমরুলের সঙ্গী হন মাহামুদুল্লাহ।মাহামুদুল্লার সাথে ৩১ রানের জুটি গড়ে ফেরেন ইমরুল। ইয়াসির শাহের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে ফিরে যান খুনলা টেস্টের এ সেঞ্চুরিয়ান।
ইমরুলের বিদায়ে পর ফেরেন মাহামুদুল্লাহ ও ফেরেন । শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ চার উইকেট হারিয়ে ৯৯ রান।সাকিব ৮ ও মুশফিক ২০ রানে ব্যাট করছেন।
এর আগে আজাহার আলীর ডাবল সেঞ্চুরি ও ইউনিস খান ও আসাদ শফিকের সেঞ্চুরিতে ৫৫৭ রানের বিশাল স্কোর গড়ে পাকিস্তান।
দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশর প্রথম সাফল্য এনে দেন সাকিব আল হাসান। ৯১ তম ওভারের চতুর্থ বলে পাকিস্তান অধিনায়ক মিসবাহকে ৯ রানে আউট করে সাফল্য এনে দেন দেশ সেরা এ ক্রিকেটার।
দলীয় ৫৩০ রানে দ্বি-শতক পূর্ণ করে প্যাভিলিয়নে পথ ধরেন আজাহার আলি। শুভাগত হোমের বলে মাহামুদুল্লার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
এরপর একে একে আসাদ শফিক, ওহাব রিয়াজ ও ইয়াসির শাহ ফিরে গেলে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেট হারিয়ে ৫৫৭ রান।
প্রথম দিনে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান ইউনিস খান ও আজহার আলির জোড়া সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থান করে নেয় সফরকারীরা।
দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ছিল তিন উইকেট হারিয়ে ৩২৩ রান। আজহার ১২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।
মিসবাহর আউটের পরে আজহারকেকে সঙ্গ দিতে মাঠে নামেন আসাদ শফিক।
টেস্টের প্রথম দিনে ইনিংসের ২৩তম ওভারে এবং পাকিস্তানের দলীয় ৫৮ রানের মাথায় দুই উইকেট পড়ে গেলেও আর উইকেটের দেখা মিলছিল না স্বাগতিক বোলারদের।
তবে, ইনিংসের ৮৫তম ওভারে মোহাম্মদ শহীদের বলে শুভাগত হোমের তালুবন্দি হয়ে সাজঘরে ফেরত যান ১৪৮ রান করা ইউনিস।ইউনিসের ১৯৫ বলের ইনিংটিতে ছিল তিনটি ছয় ও ১১টি চারের মার।







