ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় ৩১ ডিসেম্বর। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক সাঈদ আহম্মেদ আসামি ও বাদীপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে সোমবার বিকেলে এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রাষ্ট্রপক্ষ অপরাধ প্রমাণ করতে পারেনি জানিয়ে হত্যার দায় থেকে আসামিদের খালাস দেওয়ার আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এই মামলার আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
গত বছরের ২৯ জানুয়ারি বহুল আলোচিত ‘ব্লগার রাজীব হত্যা মামলায়’ আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এ বছরের ১৮ মার্চ চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয় ২১ এপ্রিল।
মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামীরা ৮ আসামি হলেন- নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফয়সাল বিন নাইম ওরফে দিপু (২২), মাকসুদুল হাসান অনিক (২৬), এহসানুর রেজা রুম্মান (২৩), মো. নাঈম সিকদার ওরফে ইরাদ (১৯), নাফির ইমতিয়াজ (২২), সাদমান ইয়াছির মাহমুদ (২০), মুফতি জসীম উদ্দিন রাহমানী ও রেদোয়ানুল আজাদ রানা (৩০)।
চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে রানা পলাতক রয়েছেন। অন্য আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। অভিযোগপত্রে ৫৫ জনকে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী করা হয়।
২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বাসায় ফেরার পথে পল্লবীর কালশীর পলাশনগরে দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত হন রাজীব। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ডা. নাজিম উদ্দীন পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।







