ব্লগার নিলাদ্রী চট্টোপাধ্যাায় ওরফে নিলয় নীল হত্যার হুমকিদাতা এবং জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের নামে বিবৃতি দেয়ার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িতরাই এ সকল হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত।
দীর্ঘ সময় পর ইন্টারনেটে দেয়া তথ্যের সূত্র ধরে গোয়েন্দা পুলিশ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম থেকে তারেককে এবং নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর থেকে মর্তুজা ফয়সাল সাব্বিরকে গ্রেফতার করে। একই দিন সোনারগাঁ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হুমকিদাতা মুফতি মাওলানা আব্দুর গাফফারকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, নিলাদ্রী চট্টোপাধ্যাায় হত্যার পর পরই আনসার আল ইসলাম নামে একটি জঙ্গি সংগঠন হত্যার দায় স্বীকার করেছিলো। সেই দায় স্বীকারের পর পরই আমরা তারেক নামে একজনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করি। গ্রেফতারের পর জানা যায় যে, সে এই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত ছিলো। তবে মুল কাজটি যে করে তার নাম রাব্বী।
গোয়েন্দা এই কর্মকর্তা বলেন, কোন হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার পর অধিকাংশ ক্ষেত্রে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের নামে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে বিবৃতি প্রদান করে আসছে।
তিনি আরো বলেন, এরা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে। আমরা সে ধরণের তথ্য প্রমাণ পেয়েছি। এরা যখন একজন আরেকজনকে নির্দেশ দেয় এবং সেটা তখন দায়িত্বপ্রাপ্তরা পালন করে।নিলাদ্রী চট্টোপাধ্যায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতরা সরাসরি জড়িত কিনা? তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।
এর আগে রাজধানীর পূর্ব গোরানের বাড়িতে গত ৭ আগস্ট দুর্বৃত্তদের চাপাতির আঘাতে নিহত হন ব্লগার নিলাদ্রী চট্টোপাধ্যায় ওরফে নিলয় নীল। এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ইন্টারনেটে বিবৃতি দিয়েছিলো জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলাম।







