ব্রিটিশ সরকারের ব্রেক্সিট (বৃটেনের ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসা) প্রক্রিয়া শুরু করতে অবশ্যই সংসদের ভোট গ্রহণ করা উচিত বলে রুল জারি করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে সাংসদদের সমর্থন ছাড়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ইউরোপিয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে আলোচনা শুরু করতে পারছেন না।
এই রায়ের ফলে স্কটিশ সংসদ এবং ওয়েলশ এবং নর্দান আয়ারল্যান্ড সংসদেরও আর মতামত নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এর মাধ্যমে গত বছরের হাইকোর্টের রায়কেই সমর্থন করলো সুপ্রিম কোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের শুনানি চলাকালীন প্রচারণাকর্মীরা দাবি করে, যুক্তরাজ্য (ইউকে) সংসদে ভোট না নেওয়া ‘অগণতান্ত্রিক’। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, লিসবন ট্রিটির ৫০ অনুচ্ছেদের অধীনে সাংসদদের পরামর্শ ছাড়াই আলোচনা চালানোর ক্ষমতা তাদের আছে। আর্টিকেল ৫০ এর মাধ্যমে ইউ থেকে বেরিয়ে আসার আলোচনা শুরু হবে, যে প্রক্রিয়া দুই বছর ব্যাপী হতে পারে।
৮-৩ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় এই রায় বলে জানান সুপ্রিম কোর্টের প্রেসিডেন্ট লর্ড নিউবার্জার। স্কটিশ সংসদ, ওয়েলশ ও নর্দান আয়ারল্যান্ড সংসদের অনুচ্ছেদ ৫০ এর উপর ভোট গ্রহণের প্রয়োজনীয়তাও নাকচ করা হয়।লর্ড নিউবার্জার বলেন, ইউ এর সাথে সম্পর্ক ইউকে সরকারের ব্যাপার।
এই রায়ে সরকার ‘হতাশ’ হলেও এ্যাটর্নি জেনারেল জেরেমি রাইট ‘সম্মতি’ জানিয়ে বলেন, আদালতের রায় কার্যকরের জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্রেক্সিট সেক্রেটারি ড্যাভিড ড্যাভিস বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় সাংসদদের উদ্দেশ্যে বিবৃতি দিবেন।
গত জুনের গণভোটে যুক্তরাজ্যের ভোটাররা ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় দেন। ব্রেক্সিটের পক্ষে ৫১.৯ শতাংশ ভোট ও বিপক্ষে ৪৮.১ শতাংশ ভোট পড়েছিলো।








