নতুন করে গণভোট চেয়ে কয়েত লাখ লোকের স্বাক্ষর করা আবেদন নাকচ করে দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। গত মাসে গণভোটে ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ারই সিদ্ধান্ত দিয়েছিল ব্রিটেনের জনগণ।
এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছিলই। কে জানে হয়তো ভোট দেওয়ার পরই তাদের মনে হয়েছিল ভুল হয়ে গেলো। তাই নতুন করে আবার গণভোটের দাবিও তুলেছিল ইইউ থেকে বেরোনোর বিপক্ষের মানুষরাই।
সেই চাওয়ার পূরণের জন্যই ১.৪ মিলিয়ন মানুষ একটি আবেদনে স্বাক্ষরও করেছিল। কিন্তু তাদের সেই চাওয়াকে সরাসরি নাকচ করে দেয় ব্রিটেনের সরকার। এর মাধ্যমে নতুন করে গণভোটের আর কোনো সুযোগ থাকলো না ব্রিটেনবাসীর জন্য।
ওই আবেদনের জবাবে ব্রিটেন সরকার জানায়, ৩৩ মিলিয়ন মানুষ গণভোট দিয়েছে। তাদের মতামতকেও সম্মান দেখানো উচিত। এখন আমাদের ইইউ ছাড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময়।
এর আগে গণভোটের মাধ্যমে ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে লন্ডনে বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার ব্রিটেনবাসী। বিক্ষোভকারীরা ইইউ’র ৫০ ধারা অনুসারে ব্রিটেনের ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানান।
বাস্তবতা অবশ্য এখন আর ব্রিটেনের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে না। গণভোটের পর দু’বছরের মধ্যে ইইউ থেকে বেরিয়ে যেতে দ্রুত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ব্রিটেনকে তাগাদা দিচ্ছে ইইউ। এই অবস্থায় পুনরায় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ব্রিটেনকে আগে ইইউ ছাড়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
গণভোটের ফলাফলে প্রায় ৫২%-৪৮% ব্যবধানে ইইউ ছাড়ার সিদ্ধান্ত জয় পাওয়ার পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন পদত্যাগের ঘোষণা দেন। আগামী অক্টোবরে পদত্যাগ করবেন তিনি।








