বিক্ষোভ দমাতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের কথা শোনা গেলেও পার্লামেন্টে কাঁদানে গ্যাস! আর এ বিষ্ময়কর ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে। আর প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালাতে হয়েছে ব্রিটিশ এমপিদের।
রাজনৈতিক দল গুলোর মতবিরোধ থেকেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনার জন্য দায়ী ‘সেলফ ডিটারমিনেশন’ পার্টির মুখপাত্র অভিযোগ করেছেন, সার্বিয়ার সঙ্গে সরকার যে চুক্তি করেছে, তা নিয়ে পার্লামেন্টে কোনো বিতর্কের সুযোগ দেয়া হয়নি। সেকারণেই আমরা পার্লামেন্টের ভেতর কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
সার্বিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রশ্নে কসোভোতে রাজনৈতিক উত্তেজনা চলছে কিছুদিন ধরে। এ নিয়ে ব্রিটিশ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ।
এরপই দলটির মুখপাত্র আরবার জাইমি বলেন, ‘আমরা এই কৌশল নিয়েছি, কারণ আমাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা ছিল না’।
সার্বিয়া থেকে আলাদা হয়ে কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণা করে ২০০৮ সালে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় কসোভোর সরকার সার্বিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চুক্তি করে। এ নিয়ে কসোভোর জনমত মারাত্মকভাবে বিভক্ত।
গত ৮ অক্টোবর প্রথম পার্লামেন্টের ভেতর কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। এজন্যে দোষ দেয়া হয় বিরোধী দলের এক পক্ষের নেতা আলবিন কুর্টিকে। সেদিন দুজন এমপি কাঁদানে গ্যাসের কারণে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান।
১৫ অক্টোবর দ্বিতীয়বার কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয় পার্লামেন্টে। ২৩ অক্টোবর পার্লামেন্টে বিরোধীরা যখন সার্বিয়ার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের দাবিতে হৈ চৈ করছিল, তখন আবার চেম্বার আচ্ছন্ন হয়ে যায় কাঁদানে গ্যাসে।
শেষ দফা কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয় গত ৩০ নভেম্বর। এবার পরিস্থিতি সামলাতে পার্লামেন্টের ভেতর পুলিশ পাঠাতে হয়। গ্রেফতার করা হয় বিরোধী দলের বেশ কিছু এমপিকে।







