পর্তুগালের এক সাংবাদিক সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশ ফাঁস করেছেন, বিদেশি গণমাধ্যমগুলো বলছে- মার্কাস আলভেজ নামের ওই ক্রীড়া সাংবাদিক ব্রাজিলের রাইজিং স্টার জেসাসের বন্ধু।
মার্কাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইরস্টাগ্রামে লিখে দিয়েছেন, নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের একাদশে কে কে খেলছেন।
একাদশে রয়েছেন- অ্যালিসন, দানিলো, থিয়াগো সিলভা, মিরান্ডা, মার্সেলো, কাসেমিরো, পাউলিনহো, কৌতিনহো, উইলিয়ান, নেইমার ও জেসাস। তবে কোচ টিটের দলে জায়গা হয়নি ব্রাজিলের তরুণ কমপ্লিট প্যাকেজ ফিরমিনোর।
যে একাদশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রাজিল ভক্তদের মধ্যে আলোচনার ঝড় তুলেছে। সবাইকে অবাক করছে ফিরমিনোর না থাকার বিষয়টি। ফিরমিনো না থাকা কেনো অস্বাভাবিক?
ফিরমিনোর খেলার ধরণ
২০১৪ সালের অক্টোবরে ব্রাজিল জাতীয় দলে ডাক পান ফিরমিনো। সেলেসাওদের হয়ে ২০১৫ কোপা আমেরিকা খেলার অভিজ্ঞতা আছে তার। ফিরমিনোর খেলার ধরণটাই সহজাত ব্রাজিলিয়ান। ড্রিবলিং দক্ষতা, বল কন্ট্রোল, থ্রু-পাস দেয়ার ভিশন, শুটিং, ৫ ফুট সাড়ে ১১ ইঞ্চির উচ্চতার সুবিধা আদায়; সব মিলিয়ে ‘কমপ্লিট প্যাকেজ’ বলাই যায়। তাই ফাঁস একাদশে তার না থাকা ব্রাজিল সমর্থকদের মনে নানা প্রশ্ন জন্ম দিয়েছে।
ফিরমিনো মিডফিল্ডার না স্ট্রাইকার
২০১৬-১৭ সিজনে লিভারপুলের হয়ে ফিরমিনোর ম্যাচপ্রতি গড়ে ১.৭ ট্যাকল, ২.২ কি-পাস, ২বার সফল ড্রিবলের রেকর্ড রয়েছে। একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ের হিসেবে যেটি ঈর্ষণীয় পারফরম্যান্স। নেইমারের পাশে ফিরমিনো খেলেবেন তাই এমনটাই প্রত্যাশা ব্রাজিল সমর্থকদের।

২০১৫-১৬ সিজনে ফিরমিনো লিভারপুলে যোগ দেন। ওই সিজনে কোচ পরিবর্তনের সঙ্গে অন্য খেলোয়াড়দের ব্যর্থতার কারণে ক্লপ দায়িত্ব নিয়ে ফিরমিনোকে স্ট্রাইকার বানিয়ে দেন। ফিরমিনো’র সেই সিজনের ব্যক্তিগত অর্জন ১১ গোল আর ৯ অ্যাসিস্ট।
এমন সাফল্যে লিভারপুলের কোচ ইয়ূগেন ক্লপ ফিরমিনোকে বলেছিলেন, তুমি এমন একজন স্ট্রাইকার যে কিনা কখনো মিডফিল্ডার আবার কখনো পূর্ণাঙ্গ স্ট্রাইকার।
এমন এক সেনানিকে ক্লপ চিনতে পারলেও কেনো জাতীয় দলের কোচ টিটের মূল্যায়ণ ফিরমিনো পাচ্ছেন না, সেটা নিউ যত প্রশ্ন। যদিও এটি কেবল একটি ফাঁস হওয়া একাদশ। আসল একাদশ পর্যন্ত অপেক্ষা করাই যায়। টিটে তো সেরা খেলোয়াড়দেরই বিশ্বকাপে এনেছেন। নিশ্চয় সর্বোচ্চটা আদায়ও করে নেবেন।








