আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুতে দুর্নীতির বিষয়ে বিশ্বব্যাংক ব্যাখ্যা না দিলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের কোনো প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের কোনো ঋণ নেয়া হবে কি হবে না, তা ভেবে দেখবে সরকার।
বুধবার পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর-পরিবেশ সংরক্ষণ ও জাতীয় উন্নয়ন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা বলেন সেতু মন্ত্রী।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা চোর নই বীরের জাতি। কেন তারা আমাদের অপমান করলো? আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে হেয় করলো তার কোনো উত্তর যদি না পাই। তাহলে আমাদের কোনো প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের কোনো ফান্ড আসবে কিনা তা গভীরভাবে ভেবে দেখতে হবে।’
পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক ২০১২ সালে ঋণ বাতিল করেছিল। এই ষড়যন্ত্রের তথ্যপ্রমাণ হিসেবে যেসব তথ্য কানাডার আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছিল, তাকে নিছক গুজব আর গুঞ্জন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন কানাডার আদালত।
পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগের কারণে নির্মাণ কাজ শুরু হতে বিলম্ব হওয়ায় দেশের যে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে তার জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে এক বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।
কানাডার আদালতের এই রায়ের পর থেকে ১৪ দলের নেতাকর্মীরা বিশ্বব্যাংকের কড়া সমালোচনাসহ বাংলাদেশের কাছে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিৎ বলেও দাবি করে আসছেন।







