আগের ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে হারিয়ে চমক দেখানো খেলাঘর অষ্টম রাউন্ডে জয়ের কাছে গিয়েও হেরেছে। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের দেয়া ২৪০ রানের সহজ লক্ষ্য টপকাতে পারেনি তারা। হেরেছে ২৮ রানে।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের অষ্টম রাউন্ডে জয়ের আশা জাগানো দলটি শেষ ৫ উইকেট হারায় মাত্র ৩২ রানে। ম্যাচের ১১ বল বাকি থাকতেই ২১১ রানে গুটিয়ে যায়।
লড়াই করে পাওয়া জয়ে রূপগঞ্জের পয়েন্ট ১০। টেবিলের সপ্তম স্থানে অবস্থান তাদের। ৭ ম্যাচে অপরাজিত থাকা গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ১৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে রূপগঞ্জকে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন হাসানুজ্জামান। ২৩ বলে ৫টি চার ও একটি ছক্কায় ৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান। সপ্তম ওভারের মাথায় হাসানুজ্জামানের বিদায়ে দলীয় ৪৪ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। ভালো শুরু করলেও ১০৫ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে তারা।
ষষ্ঠ উইকেটে পাকিস্তানি ক্রিকেটার রাজা আলি ও ইয়াসির আলি জুটি গড়ে বিপদ থেকে দলকে বাঁচান। ৯৪ রানের দারুণ জুটিটি ভাঙে ৪৬ রান করে রাজা বোল্ড হলে।
ইয়াসির আলির প্রচেষ্টায় শেষ অবধি ইনিংসের এক বল আগে ২৩৯ রানে অলআউট হয় রূপগঞ্জ। ইয়াসির করেন সর্বোচ্চ ৫৯ রান। ৬৯ বলের ইনিংসে ছিল ৪টি চার।
তানভীর ইসলাম তিনটি ও ডলার মাহমুদ নেন দুটি করে উইকেট।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় খেলাঘর। মোহাম্মদ শরিফের বলে সাজঘরে ফেরেন রবিউল ইসলাম রবি (০)। দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুস সাদাত ও সালাউদ্দিন পাপ্পু ৬২ রান যোগ করলে ম্যাচে থাকে দলটি। দ্রুতই অবশ্য ম্যাচের রূপ পাল্টায়। ১০৬ রানে চার উইকেট ফেলে দিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেয় রূপগঞ্জ।
পরে ৫২ রান করা নাজমুস সাদাত বিদায় নেন চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে। দলের আর ২২ রান যোগ হতেই রান আউটে সাজঘরে ফিরে যান খেলাঘরে অধিনায়ক নাফীস ইকবাল (৬)।
তখন ম্যাচ জমিয়ে তোলেন নাজিমউদ্দিন। এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান ৫৯ রান করে রূপগঞ্জের সপ্তম শিকারে পরিণত হলে আশার প্রদীপও নিভে যায়। শেষ তিন উইকেটে আসে আর ২৭ রান।
রূপগঞ্জের চার বোলার নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। তারা- মোহাম্মদ শরিফ, মোশাররফ হোসেন, রাজা আলি, নাঈম ইসলাম। একটি উইকেট নিয়েছেন মাহমুদুল হাসান।







