ফরিদপুরে গত তিন বছর ধরে কমছে আবাদী জমি। লক্ষ্মীপুরে ধানের উৎপাদন খরচের চেয়ে দাম কম হওয়ায় বোরো আবাদে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষক। উৎপাদন খরচ কমাতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ।
ধানের সঠিক মূল্য পাওয়া যায় না, তাই বোরো আবাদে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষক। তারা বলছেন, খরচ বেশি পড়ছে আর সেই হিসেবে ক্ষেতে সার দিয়েও আবাদ পাই না।
ফরিদপুরের নয় উপজেলায় এবার বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ২৫ হাজার হেক্টরে। আবাদ হয়েছে ২২ হাজার হেক্টরে।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পরিচালক সুজন মজুমদার বলেন, বোরোর আবাদ আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে, যেহেতু এটা সেচ নির্ভর আর এর দামও কম।
বোরো আবাদ ছেড়ে পেঁয়াজ, মসুর, গম আবাদে বেশী আগ্রহী হয়েছেন কৃষক।
এদিকে লক্ষ্মীপুর জেলায় গত বছরের চেয়ে বোরো আবাদ হয়েছে এবার এক হাজার হেক্টর কম জমিতে। এ অঞ্চলের কৃষকরা বলছেন. বোরোর দাম যদি হাজার বারো’শ হতো তাহলে কিছু একটা করা যেত।
রামগঞ্জ, রায়পুর ও সদর উপজেলায় ধান আবাদ হয়েছে সবচেয়ে বেশী। এ পর্যন্ত জেলায় ২১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে, জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
ধানের উৎপাদন খরচ কমাতে সেচ প্রয়োগে এডব্লিউডি ব্যবহার, পোকা দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে পার্চিং পদ্ধতির ব্যবহার এবং গুড়া ইউরিয়ার পরিবর্তে গুটি ইউরিয়া ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে কৃষি বিভাগ।







