দুই ফরোয়ার্ডের সম্পর্কে এখন ফুল ফুটছে সান্টিয়াগো বার্নাব্যুতে। দুই ফরোয়ার্ড এখন স্বপ্ন দেখাচ্ছেন দেশের বাইরেও। একজনের বয়স ৩১, অন্যজনের ১৮। প্রথম জন করিম বেনজেমা, দ্বিতীয়জন ভিনিসিয়াস জুনিয়র।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো চলে যাওয়ার পর বেশ সমস্যায়ই পড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। সিআর সেভেনের উপযুক্ত বিকল্প পাওয়া যায়নি। বেনজেমা ছিলেন অফ ফর্মে। গ্যারেথ বেলও ছন্দে নেই। এই অবস্থায় ব্রাজিলিয়ান টিনেজার আসার পর পাল্টে যাচ্ছে দলের ছবি। রিয়াল সমর্থকরা এতটাই খুশি যে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শেষ ষোলোয় আয়াক্স ম্যাচের পর অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, কী দরকার এডিন হ্যাজার্ডকে, ভিনি আছে তো!
নতুন বছরে রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি গায়ে সবচেয়ে বেশি গোল বেনজেমার (৮টি)। লিওনেল মেসি ছাড়া ২০১৯ সালে আর কেউ আট গোল করেননি।
আর ভিনিসিয়াস? ডিসেম্বরে সান্টিয়াগো সোলারি এসে তাকে সুযোগ দেয়ার পর ব্রাজিলিয়ান বিস্ময় প্রতিভা সত্যিই অবাক করে চলেছেন কোচ থেকে সমর্থকদের। এই কয়েক দিনেই সব টুর্নামেন্ট মিলে আটটি গোলের পাস। নিজের কোনো সতীর্থই যা করতে পারেননি।
বেনজেমা-ভিনিসিয়াস জুটি নিয়ে যত উচ্ছ্বাস মাদ্রিদে। সেই জুটির জাদু দেখা যায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে আমস্টারডামেও। আয়াক্সের বিরুদ্ধে ৬০ মিনিটে ভিনিসিয়াসের পাস থেকেই গোল ফরাসি স্ট্রাইকারের। স্পেনের মিডিয়াতেই বলা হচ্ছে রিয়ালে বেনজেমা যেন ভিনিসিয়াসের ‘বাবার মতো’।
বেনজেমা যখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলতে শুরু করেছেন, তখন ভিনিসিয়াস হাফপ্যান্ট পরে ঘুরে বেড়ান। রিয়াল মাদ্রিদে আসার পর থেকে এই বেনজেমাই আগলে রেখেছেন ভিনিসিয়াসকে। শুধু ভালো খেলার জন্য উদ্দীপ্ত করা নয়, কীভাবে মাঠে সঠিক পজিশনে থাকতে হবে সেটিও শিখিয়েছেন নিপুণভাবে। তাই দু’জনের বোঝাপড়া দেখে মনে হচ্ছে অনেক বছর খেলছেন একই দলে।
গত বুধবার রাতের ম্যাচের পর বেনজেমা সরাসরি বলেছেন, ‘আমার ভিনিসিয়াসের সঙ্গে খেলতে দারুণ লাগছে। কারণ, সে কথা শোনে আর প্রচুর পরিশ্রম করে।’







