হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া যুদ্ধের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও ইরানসংলগ্ন এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ এখনো বন্ধ রয়েছে। ফলে বিশ্বে মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ আটকে গেছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়িয়েছে এবং অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা জোরালো করেছে।
সংঘাত নিরসনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বর্তমানে অচলাবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় ইরানের প্রধান আয়ের উৎস—তেল রপ্তানি—বন্ধ করতে নৌ অবরোধের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, যাতে দেশটিকে আলোচনায় ফিরতে বাধ্য করা যায়।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলার সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে শিগগিরই ব্রিফিং নেবেন বলে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর মাধ্যমে ইরানকে পুনরায় আলোচনায় আনাই মূল লক্ষ্য।
এই উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে জ্বালানি বাজারেও। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা আংশিকভাবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কৌশলগত কারণেও বেড়েছে।








