জাতীয় সংসদে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর আন্দোলন স্থগিত করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। রাতে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ও সংবিধান পর্যালোচনা শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ বিষয়ে কোটা সংস্কার অান্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নূর এসব কথা বলেন।
এরআগে জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারীত প্রশ্নত্তোর পর্বে ঢাকা ১৩ আসনের সাংসদ জাহাঙ্গীর কবির নানক কোটা বিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোটা থাকলেই আন্দোলন হবে, আজ এরা-কাল আরেকজন আসবে। এর থেকে আমি মনে করি কোটা পদ্ধতিই বাতিল করাটাই ভালো হবে।’ এসময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রেখে সরকারি চাকরিতে কোটা না রাখার কথা জানান তিনি।
নারীসহ তরুণ শিক্ষার্থী এবং জেলা পর্যায়েও শিক্ষার্থীরা যেহেতু কোটা চায় না, তাই কোটা পদ্ধতি রাখার দরকার নেই। সেই সঙ্গে, আন্দোলনকারীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে অাসলেও প্রধানমন্ত্রী সংসদে কোটা বাতিলের পক্ষে বক্তব্য দেন।






