লেখক-প্রকাশকদের হত্যা ও তাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে অর্ধদিবস হরতাল পালন করেছে গণজাগরণ মঞ্চ। তবে শাহবাগ ছাড়া রাজধানীর অন্য এলাকায় যান চলাচল ছিলো স্বাভাবিক। একই দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে কফিন মিছিল করবে গণজাগরণ মঞ্চ।
জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সাল আরেফিন দীপনকে হত্যা এবং কবি তারেক রহিম, শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুল ও রণদীপম বসুকে হত্যা চেষ্টার প্রতিবাদে এবং তাদের ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গত রোববার এই হরতালের ডাক দেয় গণজাগরণ মঞ্চ।
দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া দেশের কয়েকটি স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়েছে। হরতালের সমর্থনে সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে রাখে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা।
হরতালে নাটোর থেকে দূরপাল্লার যান চলাচল না করলেও অভ্যন্তরীণ সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিলো। সিলেটে যানবাহন চলাচল করলেও বন্ধ ছিলো সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
শাহবাগে সকাল ৬টার পর থেকে অবস্থান নেয় গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। স্লোগানে স্লোগানে লেখক, প্রকাশক ও ব্লগার হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানায় তারা।
হরতাল শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার। তিনি বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার পাঁচ নভেম্বর আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে কফিন মিছিল করবো। সেখানে গিয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবো,তারা বাংলাদেশের জনগণকে নিরাপত্তা দেবেন কিনা?
গণজাগরণ মঞ্চের এ হরতালের সমর্থনে রাজধানীতে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন বাম সংগঠন মিছিল করে।







