দেশে গত সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে করোনা প্রতিরোধে টিকার বুস্টার ডোজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৫৮ হাজার ১৭৩ জন বুস্টার ডোজ নিয়েছেন।
গতকাল সোমবার ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে ৪৩ হাজার ৪৩৩ জনকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো তথ্য বলছে, সোমবার ঢাকা মহানগরীতে ১২ হাজার ৯৩৬ জনসহ ঢাকা বিভাগে ২০ হাজার ৪৮৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১ হাজার ৯১২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২ হাজার ১০৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ৪ হাজার ৬১৬ জন, রংপুর বিভাগে ৫ হাজার ৩০৫ জন, খুলনা বিভাগে ৬ হাজার ৫৯৪ জন, বরিশাল বিভাগে ১ হাজার ৩৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ হাজার ৩৭৮ জন বুস্টার ডোজ নিয়েছেন।
এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর দেশে পরীক্ষামূলক বুস্টার ডোজ কার্যক্রম শুরু হয়। সেখানে প্রথমে বুস্টার ডোজ নেন দেশে প্রথম করোনার টিকা গ্রহণকারী কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা ডি কস্টা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বুস্টার ডোজ দেওয়ার ক্ষেত্রে ফাইজার, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও মডার্নার ভ্যাকসিন বেছে নিয়েছে।
বুস্টার ডোজের বয়স সীমা কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেছেন বুস্টার ডোজের জন্য বয়স সীমা ৬০ বছর থেকে কমানোর কথা ভাবছেন তারা।
ভবিষ্যতে টিকা গ্রহীতাদের সুবিধাজনক যেকোনো কেন্দ্র থেকে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।
বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি বলেন, এসএমএস না পেলেও যেকোনো বয়সের রোগীরা করোনা টিকার বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।
সেক্ষেত্রে, বুস্টার ডোজ নেওয়ার আগে ওই রোগীকে তার অসুস্থতা বিষয়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যগত নথি দেখাতে হবে।
‘আমরা ইতোমধ্যেই সব টিকাকেন্দ্রকে নির্দেশনা দিয়েছি। গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যাযুক্ত ব্যক্তিরা আগে ২ ডোজ টিকা নিয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।’







