সুপার ইনটেনসিভ রিসাইকুলেটেড অ্যাকুয়া কালচার সিস্টেমে মাছ চাষ করছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ। তারই অংশ হিসেবে তেলাপিয়া মাছ বাজারজাত শুরু হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক বলছেন, দেশে এ পদ্ধতির মাছ চাষ জনপ্রিয় করে বিদেশে রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে।
গেল বছরের ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদে সরকারি অর্থায়নে আধুনিক পদ্ধতিতে তেলাপিয়া, মাগুর ও পাবদা মাছ চাষ শুরু হয়। সেন্টার ফর টেকনোলজি ট্রান্সফার অ্যান্ড ইনোভেশন প্রকল্পের আওতায় ময়মনসিংহ থেকে মাছের পোনা এনে এখানে চাষ করা হয়। ইউরোপের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৪ গ্রামের একটি তেলাপিয়া দু’শ’ ৭০ গ্রাম হতে ৩ মাস ১০ দিন সময় লাগছে।
প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। শুক্রবার পরীক্ষামূলকভাবে একটি সুপারশপে মাছ বাজারজাত করা হয়। এক হাজার লিটার পানিতে প্রায় একশ’ কেজি মাছ চাষ করা সম্ভব।
প্রোটিনসমৃদ্ধ এ মাছে কোনো ক্যামিকেল ও হরমোন ব্যবহার করা হয় না। দুই থেকে আড়াই মাস পর মাগুর ও পাবদা মাছও বাজারজাত করা যাবে।
সিটিটিআই’র প্রকল্প পরিচালক মো: রেজাউল করিম বলেন, প্রথম পর্যায়ে তেলাপিয়া বিক্রি শুরু করেছি। কারণ তেলাপিয়া মাছ খুব সুস্বাদু, তাই সুপারশপে মাছগুলোর বিক্রি শুরু হয়েছে। স্বপ্ন সুপার শপ এরইমধ্যে শুরু করেছে কিছুদিনের মধ্যে মীনাবাজার শুরু করবে।
খরচ কমিয়ে আনতে ওই প্রযুক্তি বাংলাদেশেই তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ।








