২০২১ সালের প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট।
১৯৮টি দেশ ও অঞ্চলের চিত্র তুলে ধরে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশভিত্তিক এই প্রতিবেদনগুলো কী, তা বোঝা মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো বাস্তবভিত্তিক প্রতিবেদন। স্টেট ডিপার্টমেন্ট, এই প্রতিবেদনগুলো তৈরির জন্য গোটা বিশ্বে তার যত মিশন, স্টেট ডিপার্টমেন্টের ভেতরে ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কাজ করেছে এবং শ্রম অধিকার, পুলিশ ও নিরাপত্তা ইস্যু, নারীদের ইস্যু ও আরও অনেক বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছে। সকল তথ্য বস্তুনিষ্ঠভাবে, পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে, ন্যায্যভাবে রিপোর্ট করাই এর দিক-নির্দেশক মূলনীতি।
যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেস, নির্বাহী বিভাগ, নাগরিক সংগঠন, শিক্ষাবিদ, অ্যাক্টিভিস্ট এবং সব জায়গার মানুষেরা এই দেশভিত্তিক প্রতিবেদনগুলোর তথ্য ব্যবহার করে। মানবাধিকারের উন্নয়নে এবং এর অবমাননা ও লঙ্ঘনের জবাবদিহি করার ক্ষেত্রে এদের সবার ভূমিকা আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ৪৬তম মানবাধিকার প্রতিবেদনটিতে চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘন, গণতন্ত্রের পশ্চাৎগমন এবং ক্রমশ বাড়তে থাকা কর্তৃত্ববাদ সহ বিশ্ব পরিস্থিতির নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার লঙ্ঘনকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখে না, এই ধরনের লঙ্ঘন যে কোনো একক দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বাইরেও ক্ষতির কারণ হয় বলে জানিয়েছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রে একটি ন্যায্য এবং আরও ন্যায়ভিত্তিক সমাজের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা, মানবাধিকার রক্ষা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঘোষণা করেছে বাইডেন প্রশাসনের প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, নির্যাতন ও বিধিবহির্ভূত গ্রেপ্তারসহ যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকারের ৭টি ক্ষেত্রের দিকে নজর দিয়ে থাকে বলেও উল্লেখ করেছে।








