টঙ্গিতে তুরাগ নদের তীরে অনুষ্ঠিত পবিত্র হজের পর বিশ্বে মুসলমানদের বৃহত্তম সমাবেশ বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের শেষ দিনে আখেরী মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ বঙ্গববন থেকে মোনাজাতে অংশ নেন। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এই মোনাজাতে অংশ নেন।
কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়রা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই মোনাজাতে শরিক হয়েছেন।
মোনাজাতে দেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর ব্যাপক ঐক্য লাভের জন্য প্রার্থনা করা হয়। ভারতের বিশিষ্ট আলেম মাওলানা সাদ এই মোনাজাত পরিচালনা করেন।
প্রথম পর্যায়ের ইজতেমায় দেশের ১৬টি জেলার হাজার-হাজার মুসল্লী অংশ নিয়েছেন। জেলাগুলো হলো- গাজীপুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, মানিকগঞ্জ, রংপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, যশোর, খাগড়াছড়ি, জয়পুরহাট, মৌলভীবাজার ও সাতক্ষীরা। অন্য জেলার মুসল্লীরা ২০-২২ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বিতীয় পর্যায়ের ইজতেমায় অংশগ্রহণ করবেন।
এছাড়া ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমীরাত, কাতার, মিশর, জর্দান, আলজেরিয়া, ওমান, ইয়েমেন, সুদান, ফিলিস্তিন, তিউনিসিয়া, বাহরাইন, ফ্রান্স, কুয়েত, সোমালিয়া, কেনিয়া, জার্মানী, সুইজারল্যান্ড, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, ইরাক ও ইরানসহ ৯১টির বেশি দেশের ৭ হাজার ৮০৪ জন বিদেশী মুসল্লী এবার ইজতেমায় যোগ দিয়েছেন।
১৩ জানুয়ারি শুক্রবার বাদ ফজর আলেমদের বয়ান ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয় এবং রবিবার আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এর সমাপ্তি হয়।







