হায়দরাবাদ টেস্টে ভারতীয় ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহার সহজ স্টাম্পিংয়ের সুযোগ হাতছাড়া করেছিলেন। এরপর মুশফিকুর রহিমের উইকেটকিপিং নিয়ে ওঠে সমালোচনার ঝড়। ওই টেস্টের প্রথম সেশনে কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে মুরালি বিজয়ের একটি ক্যাচ আয়ত্ত্বের মধ্যে থাকার পরও ধরার চেষ্টা করেননি মুশফিক। নিকট অতীতে প্রায় প্রত্যেকটা সিরিজেই একটা-দুইটা সুযোগ হাতছাড়া করেছেন। যা দলকে ভুগিয়েছে। দলে বিকল্প উইকেটকিপার হিসেবে লিটন দাস থাকার পরও কিপিং চালিয়ে যেতে চাইছেন মুশফিক। তবে শ্রীলঙ্কা সফরে কে কিপিং করবে তার সিদ্ধান্তের ভার ছেড়ে দিয়েছেন টিম ম্যানেজম্যান্টের ওপর।
শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার আগে রোববার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক বলেন, ‘কিপিং উপভোগ করি তো অবশ্যই। আমার তো বোলিংও করতে ইচ্ছে করে তাতে যদি দলের আরেকটু কাজে দেয়। সিদ্ধান্তটা নেবে কোচ, টিম ম্যানেজমেন্ট ও বিসিবি। তারা যা ভালো মনে করে সেটাই করবে। আমার চিন্তা করতে হবে আমি দলে কীভাবে বেশি অবদান রাখতে পারি। আমি মনে করি ব্যাটসম্যান ও উইকেটকিপার হিসেবে আমি দলে অবদান রাখছি।’
হায়দরাবাদ টেস্টে স্টাম্পিংয়ের সহজ সুযোগ হাতছাড়া প্রসঙ্গে সাদা পোশাকের অধিনায়ক বলেন, ‘ভুল তো সবাই করে থাকে। বিশ্বে এমন কোনো উইকেটকিপার নেই যে মিস করে না। আমার চোখে দেখা সাহা (ঋদ্ধিমান) এখন সেরা উইকেটকিপার। তার সব কিছুই ফলো করার চেষ্টা করি। ইংল্যান্ড ও আমাদের সঙ্গেও সে মিস করেছে। রিয়াদ ভাইয়ের ওই স্টাম্পিংটা মিসের পর রিয়াদ ভাই যদি ম্যাচটা ড্র করে ফেলত তখন অন্যরকম দৃশ্য হতো। শুধু আমি নয়, দলের সবাই শতভাগ চেষ্টা করে অবদান রাখতে। অনেক সময় এটা হয়, অনেক সময় হয় না।’
সোমবার দুপুর ২টায় শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে যাত্রা করবে বাংলাদেশ দল। মিরপুরে রোববারের অনুশীলনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে টাইগারদের ৩ দিনের ক্যাম্প। দলে থাকা দুই উইকেটকিপার মুশফিক-লিটন কাউকেই দেখা যায়নি কিপিং নিয়ে কাজ করতে। ব্যাটিং নিয়েই মনযোগী ছিলেন তারা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে কে কিপিং করবেন সেটি হয়তো শ্রীলঙ্কায় গিয়েই সিদ্ধান্ত নেবে টিম ম্যানেজম্যান্ট।







