বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ইউরোর শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে সুইজারল্যান্ড। পেনাল্টি শুট আউটে বল লক্ষ্যে পাঠাতে পারেননি হালের ক্রেজ কাইলিয়ান এমবাপে।
সোমবার রাতে বুখারেস্টে সেরা ষোলোর লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্সের ফল নির্ধারিত এবং অতিরিক্ত সময়ে ৩-৩ থাকে। পরে টাইব্রেকার ভাগ্যে ৫-৪ ব্যবধানে জয় তোলে সুইসরা।
কোয়ার্টারে সুইজারল্যান্ডের পরীক্ষা স্পেনের বিপক্ষে। যারা ষোলোয় ৮ গোলের ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়েছে ৫-৩ ব্যবধানে।
ম্যাচের ১৫ মিনিটে সুইসদের লিড এনে দেন হ্যারিস সেফেরোভিচ, বলের যোগান দিয়েছিলেন স্টিভেন জুবের। ওই গোলেই আসে বিরতি।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ৫৫ মিনিটে পেনাল্টি পেয়েছিল সুইজারল্যান্ড। রিকার্ডো রদ্রিগুয়েজ বল জালে নিতে পারেননি।
খানিক পর শুরু হয় করিম বেনজেমা-শো। তিন মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ফরাসিদের ম্যাচে ফেরান তিনি। ৫৭ মিনিটে এমবাপের ক্রসে বল পেয়ে গোল করেন বেনজেমা, ৫৯ মিনিটে তার গোলে বলের যোগানদাতা ছিলেন অ্যান্টনিও গ্রিজম্যান।
ম্যাচের ৭৫ মিনিটে পল পগবা ব্যবধান ৩-১ করলে জয়ই দেখছিল ফ্রান্স। সেখান থেকে ফের পাল্টা আঘাত সুইসদের।
খেলার ৮১ মিনিটে কেভিন মাবাবুর বাড়ানো বলে মাথা ছুইয়ে ব্যবধান কমান সেফেরোভিচ। ৯০ মিনিটে গ্রানিত জাকার বানিয়ে দেয়া বলে স্কোরলাইন ৩-৩ করেন মারিও গাভরানোভিচ।
খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানোও ব্যবধান থাকে ৩-৩-ই। অবশ্য ফরাসিদের দারুণ কয়েকটি প্রচেষ্টা সুইস গোলমুখে আটকে যায়।
টাইব্রেকারে দুদলই প্রথম চারটি করে শট লক্ষ্য রাখে। ফ্রান্সের পগবা, জিরুদ, থুরাম ও কিমপেমবে গোল করেন। সুইজারল্যান্ডের গাভরানোভিচ, ফ্যাবিয়ান, আকানজি ও রুবেন বল জালে জড়ান।
পঞ্চম শটের দায়িত্ব বর্তায় এমবাপের কাঁধে। সেটি লক্ষ্য রাখতে পারেননি ফরাসি সেনসেশন। বিপরীতে সুইসদের শেষ শটটি মেহমেদি জালে পাঠালে উল্লাসে মেতে ওঠে প্রায় সাত দশক পর কোনো মেজর টুর্নামেন্টের নকআউটে পা রাখা সুইজারল্যান্ড।







