এশিয়া কাপের জন্য ১৭ জনের সঙ্গে আরও তিন ক্রিকেটারকে রাখা হয়েছে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে। তারা হলেন- তাইজুল ইসলাম, সাইফ হাসান, তানজিম হাসান সাকিব। এশিয়া কাপের পরপরই বিশ্বকাপ, সে ভাবনায় ২০ সদস্যের ইউনিট। এর বাইরেও মিরপুরে অনুশীলনে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে সৌম্য সরকার, জাকির হাসান, খালেদ আহমেদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে। সাত ক্রিকেটার করছেন আলাদা অনুশীলন।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কথা শোনা গেলেও বিকল্প ক্রিকেটারদের মহড়ায় দেখা যায়নি তাকে। সোমবার থেকে ভারতের ভিসার আবেদন শুরু করেছেন জাতীয় দল ও বিশ্বকাপ বিবেচনায় থাকা সব ক্রিকেটার। ভিসা সেন্টারে দেখা গেছে সৌম্যকে। বিশ্বকাপ দলে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও অভিজ্ঞ ওপেনার ভালোভাবেই আছেন বিবেচনায়।
শুরুতে কিছুদিন জাতীয় দলের সঙ্গে একত্রে অনুশীলন করেছেন সাইফ-সৌম্য। এখন তারা ঘাম ঝরাচ্ছেন আলাদা করে। অনুশীলন আলাদা হলেও ইনটেনসিটি প্রায় একই। জাতীয় দলের কেউ চোট পেলে কিংবা কোনো প্রয়োজন পড়লে যেন উপযুক্ত কাউকে প্রস্তুত পাওয়া যায়, সেজন্যই সাত ক্রিকেটারকে নিয়ে আলাদা প্রস্তুতি।
বিসিবির কোচ সোহেল ইসলামের তত্ত্বাবধানে চলছে এ ক্রিকেটারদের অনুশীলন। এশিয়া কাপ খেলতে বাংলাদেশ দল শ্রীলঙ্কায় চলে যাওয়ার পরও দেশে চলবে এই অনুশীলন পর্ব।
দ্বিতীয় দিনের অনুশীলন শেষে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ওপেনার সাইফ বললেন, ‘আমার মনে হয়, এটা (আলাদা অনুশীলন) ব্যাকআপ পরিকল্পনা। আমরা স্ট্যান্ডবাই তালিকায় যারা আছি এবং যারা বিশ্বকাপের পরিকল্পনায় আছে, তাদের জন্য এই আলাদা অনুশীলন। যেন পরবর্তীতে সুযোগ পেলে সবাই প্রস্তুত থাকে।’
‘অনুশীলনের ইনটেনসিটিতে যেন জাতীয় দলের সঙ্গে মিল থাকে (সেই বার্তা দেয়া আছে)। আর যার যার যে ঘাটতি আছে, সেগুলো উন্নতি করা। আমি যে কয়েকদিন দলের সঙ্গে অনুশীলনে ছিলাম, (হাথুরুসিংহের সঙ্গে) কথা হয়েছে, অনুশীলনের ইনটেনসিটি যেন বেশি থাকে, সেই বার্তাই ছিল।’
জাতীয় দলে এখনই জায়গা না হলেও ক্রিকেটীয় ব্যস্ততা ঠিকই থাকবে সাইফদের। আগামী মাসে চীনে এশিয়ান গেমস খেলবে বিসিবির একটি দল। সেখানে সাইফকে অধিনায়ক হিসেবে ভাবা হচ্ছে। সেই দলে দেখা যেতে পারে সৌম্য-জাকির-তাইজুলদের।








