আর মাত্র ৮৭ দিন পর বিশ্বকাপ। কিন্তু বিশ্বের প্রথমসারির অনেক তারকা খেলোয়াড়ই ঢুকে গেছেন ব্যাপক চিন্তার আবহে। রাশিয়া বিশ্বকাপের জন্য দলের বিমান ধরতে পারবেন তো? সুস্থ হতে পারবেন তো ঠিক সময়ে?
তারকাদের ইনজুরির যে মিছিল তাতে উপরের সারিতে আছেন নেইমার ও ম্যানুয়েল নয়্যার। গত সপ্তাহে চোট পেয়েছেন হ্যারি কেন। বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে খেলতে গিয়ে ইনজুরিতে পড়েন স্পেনের থিয়েগো আলকানতারা। আর ইউরোপা লিগের ম্যাচে খেলতে গিয়ে নবতম সংযোজন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে খেলা ব্রাজিলের ফিলিপে লুইস।
অ্যাটলেটিকোর লেফট ব্যাক গুরুতর আঘাত পেয়েছেন লোকোমোটিভ মস্কোর বিপক্ষে খেলতে গিয়ে। পায়ের ফিবুলা হার ভেঙেছে তার। স্ক্যানের পর ডাক্তাররা মনে করছেন, বেশ কয়েক সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে লুইসকে। তবে এই ইনজুরি বিশ্বকাপে প্রভাব ফেলবে কিনা সেটা এখনো বোঝা যাচ্ছে না।
বিশ্বকাপে নেইমারকে নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত নন ব্রাজিল কোচ তিতে। তার মুখেই বলতে শোনা গেছে, ‘সবার আগে স্বাস্থ্যের দিকটা দেখতে হবে। সেটা যতই বিশ্বকাপ হোক। এর জন্য দ্রুত রিকভারি করে স্বাস্থ্যের ক্ষতি করা ঠিক নয়। আমরা এটা করিও না।’
কোচের কথায় এটা নিশ্চিত, ব্রাজিল থিঙ্কট্যাঙ্ক নেইমারকে ছাড়াও চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে।
নয়্যারকে নিয়ে সমস্যা একটু বেশিই। গত ১২ মাসে তিনবার পায়ের পাতার হাড় ভেঙেছেন জার্মান গোলকিপার। বছরের বেশিরভাগ সময় কাটাতে হয়েছে মাঠের বাইরে, রিকভারিতে।
তবে আশা রাখছেন নয়্যার, ‘ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছি। এখনো তো অনেকটা সময় বাকি।’
কিন্তু নয়্যার আশা রাখলেও দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ফুটবল, এমনকি ক্লাব ফুটবলের বাইরে থাকার পর সরাসরি বিশ্বকাপে খেলা ঝুঁকি হয়ে যাবে বলে বলছেন অনেকেই।
ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকার হ্যারি কেন নিজে মনে করছেন, বিশ্বকাপের আগেই তিনি সুস্থ হয়ে যাবেন। সমর্থকরাও চাইছেন, মে’তে সুস্থ হয়ে ওঠার পর আর যেন ইনজুরিতে না পড়েন টটেনহ্যাম ফরোয়ার্ড।
এদের পাশাপাশি বড় চোট সারিয়ে রিকভারির মধ্য আছেন কলম্বিয়ার হুয়ান কুয়াদার্দো ও আইসল্যান্ডের গিলফি সিগুর্ডসন।








