বাংলাদেশের তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে অসন্তুষ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও জানিয়েছেন সফররত মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি ওয়েন্ডি শারমেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চতুর্থ অংশীদারি সংলাপে ওয়েন্ডি শারমেন সিটি নির্বাচন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান তুলে ধরেন।
তবে শারমেন বলেছেন, বিএনপির নির্বাচন বয়কটও হতাশাজনক। ঢাকা চিটাগাংয়ের নির্বাচনের ঠিক পরেই আমি এখানে এসেছি। নির্বাচনকালীন অনিয়ম এবং মাঝপথে বিএনপির সরে যাওয়াতে আমরা অসন্তুষ্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমরা আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। আশা করছি এসব সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ ভবিষ্যতে শান্তিপূর্ণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। /p>
সংলাপের মূল আলোচ্যসূচিতে মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি তৈরি পোশাক শিল্প খাতে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেন।
তিনি আশার বাণী শুনিয়ে বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পে অনেক উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। আরো বেশি নীরিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। আমরা সন্তুষ্ট। জিএসপি ফিরে পেতে এই উন্নতি বিবেচনায় থাকবে। তাছাড়া বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তায়ও আমরা বাংলাদেশের পাশে থাকতে চাই।
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চতুর্থ অংশীদারী সংলাপ স্থায়ী হয় প্রায় আড়াই ঘন্টা। উন্নয়ন ও সুশাসন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়গুলো সংলাপে প্রাধান্য পায় বলে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে জানান দু’দেশের প্রতিনিধি দল।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়া পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক জানান, সংলাপে তারা সন্তুষ্ট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমরা কেবল দেশের ভেতরেই নয়। বরং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতেও একসাথে কাজ করি। বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থা ঠেকাতে আমরা একে অন্যের সহযোগী।
সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশের সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে মার্কিন অবস্থান তুলে ধরেন সফরকারী প্রতিনিধিদলের প্রধান ওয়েন্ডি শারমেন।
বাংলাদেশকে বিশৃঙ্খলাপূর্ণ দেশ উল্লেখ করে দেওয়া মার্কিন রাজনীতিকদের বক্তব্য নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও শারমেন আশা করেন, পরের নির্বাচন আরও সুষ্ঠু ও গোছালো হবে।






