চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

বিলুপ্তির পথে টাঙ্গাইলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাতৃভাষা

সোহেল তালুকদারসোহেল তালুকদার
৮:৫১ পূর্বাহ্ণ ২১, ফেব্রুয়ারি ২০২২
- সেমি লিড, জনপদ, টাঙ্গাইল
A A

মাতৃভাষার বই ছাপানো হলেও অস্তিত্ব সংকটে পড়ে বিলুপ্তির পথে টাঙ্গাইলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষা। নিজস্ব ভাষা বিষয়ক শিক্ষকের অভাব যেমন রয়েছে, তেমনই বাঙ্গালি জাতিগোষ্ঠীর সাথে তাল মেলাতে গিয়ে নিয়মিত চর্চা না থাকায় এই সংকট তৈরি হয়েছে বলে দাবি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নেতাদের।

মাতৃভাষার অপমৃত্যু ঠেকাতে সরকারের কার্যকর ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বাংলাদেশে প্রায় ৫০টির মতো ভাষা প্রচলিত আছে। মধুপুর গড় এলাকায় ৩৫ শতাংশ গারো ও কোচ সম্প্রদায়ের। বাকি ৬৫ শতাংশই বাঙালি জনগোষ্ঠী মানুষের বসবাস। তার মধ্যে মধুপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে মান্দি ভাষা বা আচিক ও কোচ ভাষা প্রচলিত আছে। ২০১৭ সালে সরকারি উদ্যোগে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকের কিছু ক্লাসে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও সাদরি ভাষায় শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়। বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয় তাদের মাতৃভাষায় ছাপানো বই। কিন্তু বাংলা ভাষার সঙ্গে তাল মেলানোসহ নানা কারণে জেলার মধুপুরের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নতুন প্রজন্মের অনেকেই জানে না মাতৃভাষা। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাষায় কথা বলা ও জানা মানুষের কাছে এই ভাষার অর্থ অপরিচিত। নিজস্ব ভাষা বিষয়ক শিক্ষকের অভাবে নিজ গোষ্ঠীর নতুন প্রজন্মের কাছেও মায়ের ভাষার এই মানে ক্রমেই হয়ে উঠছে অপরিচিত।

মনিসা ম্রং বলেন, আমরা যখন ছোট ছিলাম বাঙালিরা মধুপুর বনে আমাদের আশেপাশে ছিল না। এখন কিন্তু অনেক বাঙালি চলে এসেছে। বাঙালি ছেলে মেয়েদের সাথে আমাদের সন্তানরা স্কুলে যায় বা বিভিন্ন কারণে তাদের সাথে মিশতে হয়। এসব কারণে আমাদের ভাষা বিলুপ্তির পথে। অঞ্চল ভিত্তিক কালচারাল বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের অ্যাকাডেমি খোলার দাবি জানাচ্ছি। তাহলে সাংস্কৃতিক চর্চার পাশাপাশি আমাদের মান্দি ভাষার চর্চা থাকবে।

জোসেফ ম্রং বলেন, আমি ছেলে মেয়ের সাথে মান্দি ভাষা কথা বললেও তারা আমাকে বাংলা ভাষা উত্তর দেয়। এলাকায় বা স্কুলে বাঙালিদের সাথে চলাচলের কারণে এমন হয়েছে। বাংলা ভাষা বেশি ব্যবহার হচ্ছে।

স্কুল ছাত্রী সেংবিয়া রিছিল বলেন, স্কুলে আমার বন্ধুরা সব বাঙালি। সেখানের তেমন আমাদের ভাষার চর্চা হয় না। তবে বাড়িতে আমাদের ভাষার চর্চা হয়। পরিবার ও স্কুলে যদি আমাদের ভাষা কথা বলতে পারতাম তাহলে মান্দি ভাষার চর্চা থাকতো। অপর দিকে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে মাধ্যমিক বা কলেজে মান্দি ভাষার প্রচলন থাকলে আমাদের ভাষার অনেক উন্নতি হতো।

Reneta

স্কুল ছাত্রী লামিসা রিছিল বলেন, বড়দের কাছ থেকে শুনে শুনে একটু একটু বলার চেষ্টা করি। কিন্তু বড়রা না বললে আমরা আর বলতে পারি না। আমাদের আশেপাশের বেশিরভাগ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে, কেউ আর মান্দিতে কথা বলে না। বই থাকলেও শিক্ষক না থাকার কারণে আমরা শিখতে পারছি না।

মার্জিনা চিসিম বলেন, মান্দি ভাষায় কথা বললেও বাজারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ বাস্তবায়নের জন্য আমাদের বাংলা ভাষা ব্যবহার করতে হয়। আমি যখন ছোট ছিলাম তখন বাংলা ভাষা জানতাম না। স্কুলে যাওয়ার পর বাংলা ভাষা শিখেছি। স্কুলেও আমাদের ভাষা প্রয়োগ হয় না। এতে আমাদের ভাষা বিলুপ্ত হচ্ছে। আমাদের ভাষা ধরে রাখার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে ভালো হতো।

গাছাবাড়ি মিশনারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ঝুমুর আজীম বলেন, আমাদের ভাষা বাড়িতে একটু হলেও ব্যবহার করছি। এ ছাড়াও আমাদের সন্তানরা গান নাচসহ অনেক কিছুই মান্দি ভাষায় পারে না। অনেকেই শিখে না বা জানতে চায় না। আমি তেমন পারি না। আমার কাছ থেকে সন্তানরা আর কি শিখবে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ভাষা শিখতে পারলে আমাদের ভাষা বিলুপ্তির কোন অবকাশ নেই। বাংলা ও ইংরেজি ভাষার মতো সব জায়গায় সমানতালে মান্দি ভাষা ব্যবহার করতে পারি না। মান্দি ভাষার বই তৈরি করা হলেও শিক্ষকের অভাবে পড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।

মধুপুর জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজেন নকরেক বলেন, ঘর থেকে বের হলেই বাজার ঘাট অফিস আদালতে আমাদের বাংলা ভাষা ব্যবহার করতে হয়। যে কারণে আমাদের ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে। পৃষ্ঠপোষকতা বা চর্চার প্রয়োজন আছে। আমাদের অভিভাবকরা অসচেতন। পরিবারে যদি তারা ভাষা ব্যবহার করতো তাহলে একটু হলেও চর্চা থাকতো। প্রাথমিক পর্যায়ে আমাদের ভাষার বই ছাপানো হলেও এগুলো আর ব্যবহার হচ্ছে না। শিক্ষক না থাকার কারণে ব্যবহার করা হচ্ছে না। চর্চার মাধ্যমে সংরক্ষণ করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে ২০০৮ সালে গড় এলাকায় ১২টি স্কুল চালু করা হয়েছিল। যেখানে গারো শিশুদের আচিক ভাষায় শিক্ষা দেওয়া হতো। কিন্তু তিন বছর চলার পর দাতা সংস্থার অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় তা বন্ধ হয়ে যায়। ২০১০ সালে জাতীয় শিক্ষা নীতিমালায় শিশুদের তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষায় শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে আগামী প্রজন্ম আচিক ভাষা নিয়ে শঙ্কায়।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: মধুপুর
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

হাওয়া থেকে অ্যানি— আলোচনায় তুষির রূপান্তর

জুন ৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনে অংশ নিতে নির্বাচিত বাংলাদেশের ৬ শিক্ষার্থী

জুন ৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

তনু হত্যা: প্রধান ২ সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ

জুন ৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জঙ্গল সলিমপুরে ১০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ শুরু

জুন ৮, ২০২৬

নেদারল্যান্ডসের আধিপত্য নাকি জাপান-সুইডেনের গতিঝড়, কার হাতে নকআউট টিকিট

জুন ৮, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2026 Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT