দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি বিমানে কার্গো সার্ভিস চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভাচুর্য়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
নতুন কেনা বিমানগুলোর সঠিক রক্ষনাবেক্ষণ এবং কোনভাবেই বিমানের যাত্রীরা যেন হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বিমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীক। কারণ বিমান বাংলাদেশের যাত্রী ও পরিচয় নিয়ে বিভিন্ন দেশে যাত্রা করে। তাই আমাদের সংস্কৃতির সাথে মিল রেখে এর আরও উন্নতি করতে হবে।
বিগত পঞ্চাশ বছর ধরে বাহন হয়ে আকাশে শান্তির নিড় রচনা করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা পাওয়া বিমানের পথচলা শুরুর সুবর্ণ জয়ন্তীতে ২১ নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হয়েছে বহরে, নতুন নতুন রুটে ফ্লাইট চালু হয়েছে, উন্নত হয়েছে সবার মান। বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক বহরে পরিণত হয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সৈয়দপুর, কক্সবাজার, রাজশাহী বিমানবন্দরগুলো উন্নত করা হচ্ছে যেন পার্শ্ববর্তী দেশ এই বন্দর ব্যবহার করতে পারে, এতে আর্থিক ভাবে উপকার হবে।
তিনি আরও বলেন, এই ভূখণ্ড পাকিস্তানের একটি প্রদেশ ছিলো, সেই প্রদেশটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রে রূপ দেয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
একদিকে তিনি যুদ্ধ বিধ্বস্ত এই রাষ্ট্রের পুনর্বাসনের কাজ করেছেন, অন্যদিকে রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন।
তারা ধারাবাহিকতায় ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করে বিমান এয়ারলাইন্স।
করোনাকালে বিভিন্ন দেশ থেকে যাত্রীসহ ভ্যাকসিন ও মেডিকেল সামগ্রী পরিবহন, জাতিসংঘ মিশনে শান্তিরক্ষী নিয়ে যাওয়া মতো পদক্ষেপ নেয়ায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।







