বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসরের শুরুতে টুর্নামেন্ট থেকে ৩০ কোটি টাকা লাভের প্রত্যাশা করলেও বিসিবির আয় হয়েছে ২৫ কোটি টাকা।
বিপিএল পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আজ রোববার মিরপুরে এসব তথ্য জানান বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
এবারের বিপিএল আসরকে এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টির বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখছেন বিসিবি সভাপতি।
তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ হয়েছে। জাতীয় দলের বাইরে থাকা ও নতুন খেলোয়াড়দের পারফর্মেন্সও মুগ্ধ সবাই। অনেক টপ খেলোয়াড়রা আবার ভালো করতে পারেনি।
ফিক্সিং নিয়ে গণমাধ্যমে দু একটি কথা উঠলেও তার কোনো সুর্নিদিষ্ট প্রমাণ বা ভিত্তি নেই বলে জানান বোর্ড সভাপতি।
পাপন বলেন, ‘ম্যাচ দেখলে বোঝা যায়। এখানে আমাদের আকসু কাজ করছে। আমরা কোনো ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ এখনো পাইনি। ম্যাচ ফিক্সিং বিষয়ে কোনো প্রশ্ন এখনো আমাদের কাছে আসেনি। সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়া এই বিষয়ে কথা বলতেই রাজী নই আমি।’
যে উদ্দেশ্য নিয়ে এবারের বিপিএল আয়োজন করা হয়েছে তাতে সফল হয়েছে বলে দাবি বিসিবির। শত ভাগ পাওনাও বুঝে পেয়েছে কুমিল্লা ভিক্টেরিয়ান্স, চিটাগাং ভাইকিংস আর রংপুর রাইডার্স। বাকি ফ্রাঞ্চচাইজিরাও ৭৫ শতাংশ পেমেন্ট করেছে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।
ম্যাচ চলাকালীন আচরণ গত বিষয়ে যেসব অভিযোগ রয়েছে তা ডিসিপ্লিনারি কমিটির রিপোর্ট পেলেই পরবর্তী বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।






