গত কয়েকবছরের ধারাবাহিকতায় বিদ্যুৎ উৎপাদনকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ খাতে মোট বরাদ্দ জাতীয় বাজেটের ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এই বরাদ্দ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আর জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুকি মোকাবেলাসহ পরিবেশ খাতেও বরাদ্দ গত অর্থবছরের চেয়ে বেশী।
কয়েক বছর অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকা বিদ্যুৎখাতে যেসব স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে তা শেষ করতে প্রতিবছরই প্রয়োজন হয় বাড়তি অর্থের। সেইসঙ্গে আগামী অর্থবছরে যোগ হচ্ছে ১৪ টি নতুন প্রকল্প। ৫৩ শতাংশ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনসহ ২০২১ সালের মধ্যে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে এবারের বাজেটেও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।
এজন্য গতবছরের চেয়ে এবার শুধু বিদ্যুৎখাতের বরাদ্দের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে ১৬ হাজার ৫শ’ ৩ কোটি টাকা। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ খাতে ২ হাজার ৩৭ কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রী এই জন্য বিদ্যুৎ খাতের সাফল্য ও রোডম্যাপ তুলে ধরেন।
প্রত্যন্ত অঞ্চলে সৌর বিদ্যুতের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুকি মোকাবেলায় ভূমিকা রাখার দিকনির্দেশনা এসেছে বাজেটে ।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে গ্রীন ট্যাক্সের কথা বলা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এবছর তা নিয়ে কোনো কথাও বলেননি অর্থমন্ত্রী।
তবে সংসদকে জানান, এরইমধ্যে ৩৪ টি বনকে সংরক্ষিত বন ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ৭৮ টি উপজেলায় স্থাপন করা হচ্ছে ২শ’টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র। ২০৩০ সালের মধ্যে ৩ কোটি পরিবেশবান্ধব চুলা স্থাপন করা হবে।
বন ও পরিবেশ খাতে গত বছরের চেয়ে ৮৪ কোটি টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ১৯ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা, বন ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণ, নদী ও বায়ু দূষণরোধে সরকারি বরাদ্দের যথাযথ বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।







