চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ৩০৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছে বাংলাদেশ। জয়ের আশা নিয়েই ফিল্ডিংয়ে নেমেছে মাশরাফিবাহিনী। বিদেশের মাটিতে তিনশর বেশি রান করে হারের অভিজ্ঞতা নেই টাইগারদের। তাইতো জয়ের আশাটা আরও বড় হচ্ছে।
বিদেশের মাটিতে আগে ব্যাট করে তিনশ কিংবা তার বেশি স্কোর তিনবার গড়েছে বাংলাদেশ। তিনবারই বড় ব্যবধানে জিতেছে টাইগাররা। বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ে ও ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কাকে হারায় বাংলাদেশ। এ দুটি জয় ছিল দ্বিপাক্ষিক সিরিজে। অপর জয়টি এসেছে লাহোরে এশিয়া কাপে, আরব আমিরাতের বিপক্ষে। তবে এবারই প্রথম আইসিসির কোনও টুর্নামেন্টে তিনশর বেশি সংগ্রহ গড়ল বাংলাদেশ।
প্রস্তুতি ম্যাচের ‘কালো স্মৃতি’ পাশ কাটিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম ম্যাচে জ্বলে ওঠেন তামিম ইকবাল। তাকে সঙ্গ দিতে মুশফিক খেললেন ক্যারিয়ারের অন্যতম একটা সেরা ইনিংস।
ওভালের ইতিহাস বলছে তিন শতাধিক রান করে এই মাঠে দুই দলের হারার নজির আছে। ১১ বার জিতেছে তিনশ পার করা দল।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভার মোকাবিলা করতে দাঁড়িয়ে যান তামিম। সকালের এই ওভারটি নিরাপদে পার করেন ওপেনার। এরপর সৌম্যকে নিয়ে তামিম ৫৬ রানের জুটি গড়েন। স্টকসের শর্ট বলে সৌম্য (২৮) ফিরে গেলে ইমরুল মাঠে নামেন। ব্যাটিংয়ে শক্তি বাড়াতেই ইমরুলকে একাদশে রাখা হয়। সেই ইমরুল (১৯) খুব একটা ভালো করতে পারেননি। প্লাঙ্কেটকে উড়িয়ে মারতে যেয়ে মিডঅনে ধরা পড়ে যান। মার্ক উড দারুণ ক্যাচ নেন।
ইমরুল ফিরে গেলে মুশফিক এসে তামিমকে সঙ্গ দেন। ২৮ ওভার শেষে এক পর্যায়ে স্কোরবোর্ডে রান ছিল ১৫০। তামিম ১২৪ বল খেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজের প্রথম শতক হাঁকান। সেঞ্চুরির পরও তাড়াহুড়া করেননি। আরও ২৮টি রান যোগ করেন। প্লাঙ্কেটের বলে বাটলারের হাতে যখন ধরা পড়েন, তখন মুশফিকের সঙ্গে তার জুটি ১৬৬ রানের। তামিম ফিরতেই মুশফিক (৭৯) নড়বড়ে হয়ে যান। ঠিক পরের বলে বড় শট খেলতে যেয়ে লংঅফে ধরা পড়েন।
শেষ দিকে সাকিব (১০) রান বাড়াতে ব্যর্থ হন। হাত খুলে খেলতে যেয়ে বিদায় নেন। ৪৭তম ওভারের চতুর্থ বলে ফিরে যান তিনি। সাব্বির ১৫ বলে করেন ২৪। ৪৯ ওভার শেষে ৩০০তে পা রাখে বাংলাদেশ। শেষ ওভারে আসে ৫।








