বিশ্বখ্যাত একটি বই। কিন্তু লেখকের অনুমতি ছাড়া সেই বইয়ের বাংলা অনুবাদ করায় বিরক্তই হয়েছেন লেখক নিক পিরগ। সেটা নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দেন তিনি। পরে তার স্ট্যাটাসের সূত্র ধরে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন প্রবাসী সাংবাদিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাসকাওয়াথ আহসান।
ফেসবুকে নিক পিরগের স্ট্যাটাসের কথা তুলে ধরে মাসকাওয়াথ আহসান লিখেছেন, আমাজন বেস্ট সেলার লেখক নিক পিরগ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন, It’s one thing to be selling pirated copies of my books, but to design better covers than me! Now, that’s cold blooded!! সঙ্গে চারটি বাংলা অনুবাদ গ্রন্থের প্রচ্ছদ। নিক খুবই অবাক হয়েছেন। কোন অনুমতি না নিয়েই একটা লেখক তার চারটি বই অনুবাদ করলো; একজন প্রকাশক আকর্ষণীয় প্রচ্ছদে সেগুলো ছেপে বিক্রিও করছে। এ তো ঠাণ্ডা মাথার ডাকাতি। এতো চুরির অধিক।

এরপরে প্রবাসী এই শিক্ষক লিখেছেন, লেখক পিরগের ফেসবুক স্ট্যাটাসে গিয়ে উপস্থিত হয় বাংলা ভাষী পাঠকেরা। এরকম একটি বই চুরি করে অনুবাদ ও প্রকাশের ঘটনায় নিকের পাঠকেরা হাসাহাসি করছে। কেউ কেউ বলছে, প্রচ্ছদ ভালো করেছে; ঐ নিয়ে খুশি থাকো নিক। কেউ বলছে, বাংলাদেশেও তোমার লেখার ভক্ত পাঠক আছে; ওখানে গেলে হয়তো টাকাও অপেক্ষা করছে তোমার জন্য।
বাংলাভাষী পাঠকেরা বিব্রত। তারা কেউ কেউ একটু যুক্তি দেখায়, আপনার ইংরেজি বই তো ঢাকায় পাওয়া যায়না। কী করবো বাধ্য হয়ে অনুবাদটাই পড়ি।
এরমধ্যে বাংলাভাষী একজন ধামাচাপাশিল্পী এসে স্বভাষীদের বোঝায় কপিরাইটের অধীনে পুস্তক ক্রয়ের ব্যাপারে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আছে। তাই লেখক-প্রকাশকেরা ঐ ঝামেলায় যেতে চায়না।
তবে এভাবে লেখকের অনুমতি ছাড়াই বই অনুবাদ করে প্রকাশ করায় লেখক জরিমানার সম্মুখীন হতে পারেন বলেও পোষ্টে উল্লেখ করেন মাসকাওয়াথ আহসান।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, নিক যদি কপিরাইটে মামলা করে; আমাজন প্রকাশনীর সে মামলায় বাংলাদেশ সরকার নিঃসন্দেহে সাহায্য করবে। এই মামলায় যে অংকের জরিমানা হবে তা এতোই বড় যে অনাদায়ে লেখক ও প্রকাশককে কারাগারে কাটাতে হবে।








