তৈরী পোশাক শিল্পের ইউরোপ ও আমেরিকান বায়ারদের দুই জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের কারখানা কমপ্লায়েন্সে নিত্য নতুন নির্দেশনায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন উদ্যোক্তারা। এ নিয়ে কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরে অভিযোগও করেছে বিজিএমইএ। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, অভিযোগ নিয়ে তারা ত্রিপক্ষীয় কমিটিতে আলোচনা করবেন।
সাভারের গোল্ডেন স্টিচ ডিজাইন নামের একটি পাঁচতলা পোশাক কারখানায় উদ্যোক্তারা বসিয়েছেন উন্নতমানের ফায়ার ডোর। অটোমেটিক ফায়ার অ্যালার্ম সিস্টেম, অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক সিস্টেমও রয়েছে সেখানে।
একই উদ্যোক্তার এধরনের আরো তিনটি কারখানা রয়েছে।
এ উদ্যোক্তার দাবি ওই কারখানাগুলোতে অ্যাকর্ড ও অ্যালয়েন্সের পরিদর্শনের পর তাদের নিদের্শনা পূরণ করে সংস্কার করা হয়েছে। এখন আবার নতুন নির্দেশনা নিয়ে আসছে ওই দুই জোট।
গোল্ডেন স্টিচ ডিজাইনের পরিচালক মোশারফ হোসেন ঢালী জানান, অ্যাকর্ডের আগের সকল শর্ত পূরণ করলেও এখন তারা পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাইছে, এটা ঠিক নয়।
তিনি অভিযোগ করেন, শর্তপূরণ করলেও নতুন নতুন নির্দেশনা উদ্যোক্তাদের হয়রানিতে ফেলছে।
বিজিএমইএ স্বীকার করেছে কিছু উদ্যোক্তা তাদের কাছে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের নতুন নির্দেশনার কথা জানিয়েছে।
বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট সিদ্দিকুর রহমান জানান, একবার পরিদর্শনে হয়তো সব কিছু তাদের নজরে নাও আসতে পারে। অপ্রয়োজনীয় এবং উদ্দেশ্যমূলক ভাবে কিছু চাপিয়ে দেওয়া হলে সেসব বিষয়ে আপত্তি জানাবে বিজিএমইএ।
কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৩৪ হাজার ৭টি কারখানা পরিদর্শন শেষ হয়েছে। অ্যাকর্ড আর অ্যালায়েন্সের হয়রানি নিয়ে তাদের কাছে যে চিঠি বিজিএমইএ পাঠিয়েছে তা ত্রিপক্ষীয় কমিটির বৈঠকে আালোচনা হবে।
কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আহমেদ জানান, পোশাক কারখানায় পরিদর্শন বিষয়ে অভিযোগ ওঠার বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।
দুই জোটের পরিদর্শনে এ পর্যন্ত ৩৫টি কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। আর ৩৯টি কারখানা আংশিক বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিদর্শন অধিদপ্তর।







