ক্ষমতাসীনদের নিয়ে নানা বিতর্ক আর অভিযোগ এবং অনিশ্চয়তার মধ্যেই মালদ্বীপে তৃতীয়বারের মতো শুরু হয়েছে বহুদলীয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ।
এবারের নির্বাচনকে ‘গণতন্ত্রের জন্য গণভোট’ বলছে বিরোধীরা। নির্বাচনে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ ভোট দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিনের ক্ষমতাসীন প্রগ্রেসিভ পার্টি অব মালদ্বীপ এবং ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সোলিহের বিরোধী জোট।
এরই মধ্যে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে বিরোধীদল নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে।
নির্বাচনের ঠিক আগের দিন স্থানীয় সময় শনিবার রাতে পুলিশ বিরোধী দলের নির্বাচনী প্রচারণা বিষয়ক সদর দপ্তরে অভিযান চালায়। ওই সময় দলটির হাজারো নেতাকর্মী রাস্তায় মিছিল আর র্যালিতে ব্যস্ত ছিল।
বিরোধী দলীয় আইনজীবী হিসান হুসেইন আল-জাজিরাকে জানান, মালের ৭ তলা বিশিষ্ট ভবনে শনিবার রাতে স্পেশাল অপারেশনস পুলিশ ‘ঘুষপ্রদান এবং ভোট প্রক্রিয়া প্রভাবিত করা’র ঘটনার তদন্তের অংশ হিসেবে সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে অভিযান চালায়।
সার্চ ওয়ারেন্টে পুলিশকে অভিযান চালানোর জন্য ১৪ ঘণ্টা সময় দেয়া হয়েছিল। এক টুইটবার্তায় পুলিশ জানায়, ‘বেআইনি কর্মকাণ্ড ঠেকাতে’ ঘটনাস্থলে সক্রিয় আছে পুলিশ কর্মকর্তারা।
তারপরেও এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদের দল।
নির্বাচনটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে চীন ও ভারত। নির্বাচনের মাধ্যমে মালদ্বীপে নিজেদের প্রভাব আরও বাড়াতে চায় চীন। অন্যদিকে ভারতের লক্ষ্য বেইজিং ঘেষা প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিনের পতন।
নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, দেশটিতে গণতন্ত্রের উন্নতি না হলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে তারা।







