অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দিয়ে ফেলানী হত্যা মামলার পুনর্বিচারের রায় ঘোষণা করেছে বিএসএফ’র বিশেষ আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফেলানী হত্যা মামলার আইন সহায়তাকারী কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট আব্রাহাম লিংকন।
কয়েক দফা মুলতবির পর ৩০ জুন ভারতের কোচবিহারের বিএসএফ’র বিশেষ আদালতে শুরু হয় ফেলানী হত্যা মামলার পুনর্বিচারিক কার্যক্রম। কঠোর গোপনীয়তায় ৩ দিন বিচারিক কার্যক্রম চলার পর এ রায় ঘোষণা করা হয়।
আগের রায় বহাল রেখে ভারতের কোচবিহারে বিএসএফ’র বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যা মামলার পুনর্বিচারের রায় ঘোষণা করে । বৃহস্পতিবার রাত ১২ টার পর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দিয়ে আগের রায়ই বহাল রাখে বিএসএফ’র বিশেষ আদালত।
এডভোকেট আব্রাহাম লিংকন জানান, গত ৩ দিন একটানা পুনর্বিচারিক কার্যক্রম চলার পর বাংলাদেশ সময় ১২ টার পর আগের রায় বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন বিএসএফ’র আধিকারী সিপি ত্রিবেদীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বিচারিক প্যানেল। কয়েক দফা মুলতবির পর গত ৩০ জুন বিএসএফ’র বিশেষ আদালতে পুনর্বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। কঠোর গোপনীয়তায় ৩ দিন বিচারিক কার্যক্রম চলার পর এ রায় ঘোষণা করা হয়।
এর আগে বিজিবি-বিএসএফ’র দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকের সিদ্ধান্তে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ফেলানী হত্যা মামলার পুনর্বিচার কার্যক্রম শুরু করে বিএসএফ’র বিশেষ আদালত।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হয় বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী খাতুন। এ হত্যাকাণ্ডে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমসহ মনবাধিকার কর্মীদের মাঝে সমালোচনার ঝড় উঠে।
২০১৩ সালের ১৩ আগষ্ট ভারতের কোচবিহারের বিএসএফ’র বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচার কাজ শুরু হয়। ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয় বিএসএফ’র বিশেষ আদালত।







