অপরাধী ধরতে না পারা এবং বিচারহীনতার কারণে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় হিন্দু মহাজোট। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ছাত্র-যুব ঐক্য পরিষদ।
সারা দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হত্যার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে বাংলাদেশ ছাত্র-যুব ঐক্য পরিষদ। এতে অংশ নেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সদস্যরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর আবার নতুন করে আক্রমণ শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশ ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্মল কুমার চ্যাটার্জি বলেন, আমরা এখন দেখছি বিভিন্ন মঠ, মন্দির, আহমেদিয়ার মানুষ ছাড়াও শিক্ষকসহ অনেক মানুষকে টার্গেট কিলিং করা হচ্ছে। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকেই ঠিক করে ধরতে পারেনি।
হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তাপস কুমার পাল বলেন, আমরা অনুরোধ জানায় নিরাপত্তাজনিত বিষয়গুলো ঠিকভাবে পূরণ করার জন্য এবং আমাদের মধ্যে যে ভয় ঢুকে গেছে সেগুলো পরিহার করার জন্য।
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে হিন্দু ধর্মাবম্বীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানান বক্তারা।
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, যারা খুনী তাদের বাঁচানোর জন্য দুই পক্ষই খুব মরিয়া। এই পক্ষ ওই পক্ষকে দোষ দেয়। ওই পক্ষ এই পক্ষকে দোষ দেয়। মাঝ থেকে খুনী পার পেয়ে যায়। খুনী যে ধর্মের যে মতের হোক, তাদের আমরা গ্রেফতার দেখতে চাই। তাদের একজনেরও শাস্তি হয়নি। ২০ বছরে একজনেরও শাস্তি না হয়ে থাকলে তারা তো আনন্দ উৎসব করবেই।
আলোচকরা বলেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেক হিন্দু ধর্মাবলম্বী দেশত্যাগের কথা চিন্তা করছে।







