সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি যে আহ্বান জানিয়েছেন তাতে বিএনপি নেতাদের মধ্যে অন্তর্জ্বালা সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তবে কী কারণে তাদের এ অন্তর্জ্বালা তা বুঝতে পারছেন না তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক উপ-কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে ৭ মার্চের মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন: যুদ্ধাপরাধী-খুনি ও স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি যেন কোনদিন ক্ষমতায় আসতে না পারে সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
এরপর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন: সরকার আমাদেরকে নানাভাবে উস্কানি দিচ্ছে। কিন্তু আমরা কোন উস্কানির ফাঁদে পা দেব না। দেশনেত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবো আমরা।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের বলেন: প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে কাউকে আঘাত করতে চাননি। তিনি যুদ্ধাপরাধী ও খুনি রাজনৈতিক অপশক্তির কথা বলেছেন। কিন্তু, বিএনপির নেতাদের এ বক্তব্যে সমস্যা কেন?
৭ মার্চের জনসভা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন: আমরা যখন বিশাল জনসমাগমের ঘোষণা দিয়েছিলাম তখন অনেকে বিশ্বাস করতে পারেনি। তবে আমাদের বিশ্বাস ছিল। এতো সুশৃঙ্খল, রঙিন এবং বিশাল জমায়েত এর আগে ঢাকায় দেখা যায়নি।
উপ-কমিটি নিয়ে বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে কাদের বলেন: এখন যেগুলোর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলো খসড়া কমিটি। এগুলো এখনও চূড়ান্ত নয়। আমাদের রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে মেলে না এমন যদি কাউকে পাওযা যায়, কোন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত কিংবা অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করছে না-এমন কাউকে পাওয়া গেলে বাদ দেওয়া হবে। সংযোজন-বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে। জুন পর্যন্ত আমরা এজন্য অপেক্ষা করবো।
এর আগে বহুবার উপ-কমিটি করার চেষ্টা করা হলেও নানা প্রতিকূলতার মুখে তা করা হয়নি বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।








