আপিল বিভাগের দুজন বিচারপতি সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে বিএনপিপন্থী সাত আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগের শুনানি আগামী ২৯ জানুয়ারি।
অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে আদালতের তলবে ৭ আইনজীবী সোমবার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বিভাগ হাজির হন। শুরুতেই সর্বোচ্চ আদালত বলেন, আজ আমরা বেঞ্চে চার জন আছি তাই এবিষয়ে শুনানি আজ মুলতবি করা হবে। তখন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী আদালতকে বলেন, মাই লর্ড ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দেশের বাইরে যাবেন তাই শুনানি তারিখ একটু পিছিয়ে দিন। তখন আদালত ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের কাছে জানতে চান কবে দেশে ফিরবেন? জবাবে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন ২৬ জানুয়ারি। অন্যদিকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান তিনি ফিরবেন ৩ ফেব্রুয়ারি। একপর্যায়ে আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৯ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।
আদালত অবমাননার অভিযোগের এই আবেদনটি গত ১৫ নভেম্বর আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় এলে এবিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে ১৫ জানুয়ারি ৭ আইনজীবীকে সর্বোচ্চ আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। যে সাত আইনজীবীকে ব্যাখ্যা দিতে ডাকা হয় তারা হলেন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, ফোরামের মহাসচিব ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, জাতীয়তবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিম কোর্ট শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল জব্বার ভূঁইয়া ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল।
আপিল বিভাগের দুজন বিচারপতি সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. নাজমুল হুদা গত ২৯ আগস্ট বিএনপিপন্থী এই সাত আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আবেদনটি করেন। এই আবেদনের পক্ষে আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যূথী।







