তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া আগুনযুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর দেশকে অস্থিতিশীল করার নতুন কৌশল হিসেবে এসেছে গুপ্তহত্যা। যে যাই বলুক- সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের মদদদাতাদের সঙ্গে সরকার কোন সংলাপে বসবে না।
পিআইডিতে সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো সরকার কঠোর হাতে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস বন্ধ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় থাকা বা না থাকা যেকোন অবস্থাতেই বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপি জামায়াত, জঙ্গি ও সন্ত্রাসকে লালন করে। আর তারই ধারাবাহিকতায় দেশে গুপ্তহত্যা চলছে।
তথ্যমন্ত্রী, দেশ ও জনগণের কল্যাণ নয়, ক্ষমতায় যাওয়াই মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করে জঙ্গি সন্ত্রাসকে লেলিয়ে দিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত খালেদা জিয়া। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই সরকার দোষারোপের রাজনীতি করে না। জঙ্গি সন্ত্রাস গুপ্তহত্যা দমনে সরকার বদ্ধ পরিকর এবং এর সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের অনেকের জড়িত থাকার প্রমাণ সরকারের হাতে আছে।
তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই সরকার কাজ করে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অহেতুক দোষারোপ করে না সরকার। ব্লেম গেম খেলে না। খালেদা জিয়াই নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে দোষারোপের রাজনীতি করছেন, ব্লেম গেম খেলছেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একটি মন্তব্যের সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রের মুখোশ পরা কোন গোষ্ঠির সঙ্গে সরকার সংলাপে বসবে না।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র মানেই আলোচনা এবং সংলাপ। কিন্তু সংলাপের নামে জঙ্গি সন্ত্রাসী অথবা জঙ্গি সন্ত্রাসী দলকে রাজনীতিতে হালাল করার কোন ফর্মুলা বাংলাদেশ সরকার গ্রহণ করে নাই।
জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের কঠোর অবস্থানের প্রতি সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা আহবান জানান তথ্যমন্ত্রী।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ দেশের সংখ্যালঘুরা সম্পূর্ণ নিরাপদ। তাদের নিরাপত্তা বিধানে সব ধরণের ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।







