প্রতিবারের মতো এবছরও বিএনপি, অঙ্গসংগঠন এবং অন্যান্য রাজনীতিবিদদের সম্মানে ইফতার মাহফিল আয়োজন করছে বিএনপি। শনিবার রাজধানীর লেডিস ক্লাবে খালেদা জিয়া ছাড়াই অনুষ্ঠিত হবে এ ইফতার। এরই মধ্যে অনেকের কাছে এ ইফতারের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে গেলেও আওয়ামী লীগের কোনো নেতা তা পাননি।
রাজনীতিকদের সম্মানে ইফতারে বরাবরই সব দলের প্রধান, সাধারণ সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদদের আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকে বিএনপি। আগের বছরগুলোতে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও সাধারণ সম্পাদককে ইফতার মাহফিলে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দলটি। তবে এবারের ইফতারে আওয়ামী লীগ ও ১৪-দলের শরিকদের ছাড়া অন্য প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলে বিএনপি সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমদ আজম খান চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: প্রতিবার ইফতারে আমন্ত্রণ জানানো হলেও এবার কেন জানানো হলো না তার কারণ জানি না। তবে আওয়ামী লীগকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও কেউ আসে না। তারা আসে না বলে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি নাকি অন্য কারণ বলতে পারছি না। তবে দেশে কোন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট চলছে তাতো আপনিও জানেন। না আছে স্বাভাবিক নির্বাচন, না আছে গণতন্ত্র কিংবা স্বাভাবিক রাজনৈতিক চর্চা। কোনো কিছুই তো স্বাভাবিক নেই। এই অবস্থায় আমন্ত্রণ না জানানো অস্বাভাবিক কিছু নয়। দলীয় বা ব্যক্তিগত মন্তব্য করাও সমীচীন হবে না।
এবার বিএনপির আয়োজনে ইফতার মাহফিলে জন্য আমন্ত্রপত্রগুলোতে আয়োজক হিসেবে খালেদা জিয়ার পরিবর্তে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের নাম রয়েছে। বিএনপির ইফতার মাহফিলগুলোতে আতিথেয়তা করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, রাজনীতিবিদদের সম্মানে এবারের ইফতারে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের শরিকদের বাইরে আমন্ত্রণ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-রব) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। এ ছাড়া সিপিবিসহ বাম রাজনৈতিক দল ও ধর্মভিত্তিক দলগুলোকেও ইফতারে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।







