তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) সাধারণ সম্পাদকসহ ৪ জন পদত্যাগ করেছেন। সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন হাসান ছাড়াও সংগঠনটির সহ-সভাপতি নাজনীন কবির, যুগ্ম সম্পাদক তারিকুর রহমান বাদল এবং প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেল।
বিআইজেএফ-এ সংগঠনের গঠনতন্ত্র না মেনে নতুন সদস্য নেয়ার প্রতিবাদে তারা পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন মিজানুর রহমান সোহেল।
পদত্যাগের কারণ তুলে ধরে তিনি চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: কয়েকদিন আগে বিআইজেএফ ৩৩ জন নতুন সদস্য নিয়েছে। নতুন সদস্য নেয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সদস্য হতে হলে তথ্যপ্রযুক্তি বিটে সাংবাদিকতার নূন্যতম ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অথচ ১ বছরেরও অভিজ্ঞতা নেই এমন কয়েকজনকে সদস্য করা হয়েছে। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ১ জন সাংবাদিক এই বিটে কাজ করেন, তিনি সদস্য। কিন্তু একই টেলিভিশন চ্যানেলের আরও দু’জনকে সদস্য করা হয়েছে।
সংগঠনের সভাপতির কাছে এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করেও সাড়া না পেয়ে তারা পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন: আমরা তো প্রথমেই পদত্যাগ করিনি। গঠনতান্ত্রিকভাবে কোথায় এবং কীভাবে অনিয়ম করা হয়েছে সে বিষয়গুলো সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টদের মেইলে, ফেসবুক ইনবক্সে, ফোনে এবং জরুরি মিটিং ডেকে অবহিত করা হয়েছে। আমাদের প্রস্তাব ছিল, নতুন যে সদস্য নেয়া হলো এবং যোগ্যতা থাকার পরেও যাদের নেয়া হয়নি তাদের বিষয়ে ‘রিভিউ’ করতে হবে। যদি না করা হয় তাহলে অন্যায়ের দায় নিতে চাই না। পদত্যাগ করতে চাই। সভাপতি পদত্যাগ করতে বলেন। আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর আরও তিনজন পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। এই বিষয়গুলো নিয়ে সাধারণ সদস্যরাও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।
এই পদত্যাগকে অন্যায়ের প্রতিবাদ হিসেবে দেখছেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন: আমি এই সংগঠনে কোন বিশেষ মহলের হয়ে নির্বাচন করিনি এবং কোন মহলের কথায় পদত্যাগ করিনি। শুধু অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি মাত্র। আমাকে যারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলেন তাঁদের প্রতি অশেষ ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আপনাদের প্রত্যাশা পূরণে কোন ভূমিকা পালন করতে পারিনি বলে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
গতবছরের আগস্টে ২০১৭-১৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে আরাফাত সিদ্দিকী সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সাব্বিন হাসানসহ অন্যান্যরা নির্বাচিত হয়েছিলেন।







