বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে সাংবাদিকদের নিয়ে মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদারবাড়ি সংস্কৃতি ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। সোমবার সকাল নয়টায় শিল্পকলা একাডেমি থেকে ভ্রমণ শুরু হয়।
শিল্প ও সাহিত্য বিভাগের সাংবাদিকরা বালিয়াটি জমিদারবাড়ি পৌঁছলে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের স্থপতি মাহফুজ আহমেদ, বালিয়াটি জমিদার বাড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সঞ্জয় বড়ুয়া, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তররের গবেষণা কর্মকর্তা তানিয়া বেগম অভিনন্দন জানান।
সনজয় বড়ুয়া সাংবাদিকদের জানান, উনিশ শতকের একটি অপূর্ব নিদর্শন বালিয়াটি প্রাসাদ। বালিয়াটির জমিদার গোবিন্দ রাম সাহা এটি নির্মাণ করেন। জমিদারের চার ছেলের জন্য ৫.৮৮ একর জমির উপর নির্মিত তিনতলা করে চারটি সুরম্য প্রাসাদ, অন্দরমহল, পুকুর, মন্দির, স্কুলসহ অষ্টদশ শতাব্দীর গোড়ার দিকের নানা নিদর্শন রয়েছে জমিদারবাড়িতে জমিদারদের ব্যবহৃত তৈজসপত্র নিয়ে একটি জাদুগরও রয়েছে।
প্রতিমাসে ঢাকাসহ দেশের নানাপ্রান্ত থেকে দর্শনার্থীরারা এখানে আসেন। আসেন বিদেশী দর্শকও। তিনি জানান, প্রতিবছরে দর্শনার্থীদের মাধ্যমে প্রায় ত্রিশলক্ষ টাকা আয় করে সরকার। শিল্পসাংবাদিকরা আনন্দ উদ্দীপনার সাথে প্রাসাদগুলো ঘুরে দেখেন। দুপুরের খাবারের পর বসে গানের আসর। শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে র্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে শেষ হয় সংস্কৃতি ভ্রমণ।
সাংবাদিকদের ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পকলা একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা সাইফুল হাসান মিলন, এসএম সালাউদ্দিন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সাল হাসান।








