জ্বালানীর সব প্রকল্পেই বামপন্থীরা বিরোধিতা করে সমস্যার কথা বললেও তারা
কখনোই সমাধান দিতে পারে না এবং উন্নয়ন থেকে বাংলাদেশকে পিছিয়ে রাখতে চায়
বলে মনে করেন ‘অ্যানার্জি অ্যান্ড পাওয়ার’ ম্যাগাজিনের সম্পাদক মোল্লাহ
আমজাদ হোসেন।
বাগেরহাটে সুন্দরবনের কাছে রামপালে ভারত এবং বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে যে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হতে যাচ্ছে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন অনেক দিন ধরেই চালিয়ে যাচ্ছে বাম সংগঠনগুলো। এর আগেও দিনাজপুরের ফুলবাড়ী বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লা প্রকল্পের বিরুদ্ধেও আন্দোলন করে তারা।
মোল্লাহ আমজাদ হোসেন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, চীনপন্থী বাম দলগুলোর সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিরোধ স্বাধীনতার পূর্ব থেকে স্বাধীনতার পরেও কয়েক বছর ছিল। তবে বর্তমান সময়ে বামপন্থীদের সঙ্গে যোগ হয়েছে তথাকথিত কিছু সুশীল সমাজ। এরা দুই দল যোগ হয়ে অর্ধসত্য কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক কাজ বাদ দিয়ে বামপন্থীরা জনবিচ্ছিন্নতা তৈরি করে টিকে থাকার চেষ্টা করে। যে কোনো বিদ্যুত প্রকল্পেই তাদের অবস্থান উন্নয়নের বিরুদ্ধে। কিন্তু তারা বুঝতে চায় না যে বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো সব সময়ই আন্তর্জাতিক সকল নিয়ম কানুন মেনেই করা হয়।
বামপন্থীদের এমন বিরোধীতা করে কি লাভ হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে ‘অ্যানার্জি অ্যান্ড পাওয়ার’ ম্যাগাজিনের এ সম্পাদক
বলেন বিরোধিতা করে বামপন্থীরা গণমাধ্যমের প্রচারে থাকতে চায়। প্রচারে থেকে তারা তাদের গুরুত্ব বাড়াতে চায়।
অন্যান্য দেশের বামপন্থী দলগুলোর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘জার্মানির বামপন্থী দল গ্রীণ পার্টি বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়ার নিয়ে বিরোধিতা করলেও নবায়ন যোগ্য জ্বালানী পক্ষে অবস্থান করেছিল।’
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে ২০০৬ সালে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের বিরোধিতা করে বাম সংগঠনগুলো।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে চলতি বছরে বিদ্যুৎকেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনেও যোগ দেয় তারা।
এরপর সুন্দরবনের কাছে কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন ‘আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত’ দাবি করে বেশ কয়েক বছর ধরেই আন্দোলন করছে বামপন্থী দলগুলো। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে এ আন্দোলন আরো তীব্র হয়।








