আধুনিক ও যুগোপযুগী হওয়ার পর যথাযথ কারিগরী প্রস্তুতির অভাব, সামাজিক ও রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করতে না পারা এবং ভোক্তার ওপর প্রভাবের সঠিক পর্যালোচনার অভাবে ভ্যাট আইন কার্যকর করা যায়নি বলে মনে করছে সিপিডি।
ঘাটতি পূরণে তাই বাজেটোত্তর কর্মপরিকল্পনা, প্রত্যক্ষ কর বাড়ানো এবং অনুন্নয়ন ব্যয় সাশ্রয়ের পরামর্শ দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতি বছর বাজেট প্রস্তাবের পর বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডি নিজেদের পর্যালোচনা উপস্থাপন করলেও এবারই প্রথম বাজেট অনুমোদন পরবর্তী পর্যালোচনা এবং বাস্তবায়নে নিজেদের পরামর্শও তুলে ধরেছে।
ব্রিফিংয়ে ভ্যাট আইনের পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরলেও সেটি বাস্তবায়ন থেকে সরকারের সরে আসতে বাধ্য হওয়ার কারণ তুলে ধরেছে সিপিডি।
সংস্থাটি বলছে, ১৯ শতাংশ হারে রাজস্ব আয়ে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখলেও এই অর্থবছরে প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা ঘাটতির আশঙ্কা রয়েছে। ঘাটতি মোকাবেলা করে আয়-ব্যয় ভারসাম্য বজায় রাখতে অনুন্নয়ন ও থোক বরাদ্দ ব্যয়ে সচেতনতার পরামর্শ সিপিডির।
ব্যাংকিং খাতে রাজনৈতিক সুশাসন নিশ্চিত করা না গেলে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের মতো বেসরকারী ব্যাংকও বিপদের কারণ হতে পারে বলে আশংকা করছে সিপিডি।







