পরিবেশ

বাংলার প্রকৃতিতে ভিনদেশী উদ্ভিদ

বাংলার প্রকৃতিতে ভিনদেশী উদ্ভিদ

বাংলাদেশে জায়গা করে নিয়েছে বেশকিছু ভিনদেশী উদ্ভিদ প্রজাতি। এসব উদ্ভিদ দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় আগ্রাসী হয়ে আমাদের দেশীয় প্রজাতির উপর বিরুপ প্রভাব ফেলছে। এছাড়া এসব উদ্ভিদের কারণে ভারসাম্যহীন হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ।

বাংলাদেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী বেড়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট উপযোগী। তাই সবুজে ভরপুর বাংলার চারপাশ। তবে আমাদের এই প্রাকৃতিক পরিবেশে বেশকিছু ভিন্ন অঞ্চলের উদ্ভিদ প্রজাতি এসে জায়গা করে নিয়েছে।

এরা ভিনদেশী উদ্ভিদ নামে পরিচিত। কচুরীপানা, ঢোলকলমী, লজ্জাবতী, স্বর্ণলতা, ল্যান্টানা, আকাশমণি, ইউক্যালিপ্টাস এদের মধ্যে অন্যতম। প্রাকৃতিক শোভাবর্ধনকারী ভিনদেশী উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, গ্লিরিসিডিয়া ইত্যাদি। দ্রুত বর্ধনশীল এই উদ্ভিতরাজিই সহজেই ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন জায়গায়।

সেই সাথে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে আমাদের স্থানীয় উদ্ভিদরাজী ও প্রাণীকূল। ভিনদেশী উদ্ভিদের কিছু প্রজাতি উপকারি এবং অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও অধিকাংশ প্রজাতিই আগ্রাসী ভূমিকা পালন করে থাকে। যা আমাদের দেশীয় প্রজাতির উদ্ভিদ তথাসামগ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্রের জন্য ক্ষতিকর।

এজন্য আগ্রাসী প্রজাতিগুলোর ব্যাপারে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে পাশাপাশি এসব উদ্ভিদ রোপণে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তবেই আমাদের যতটুকু প্রাকৃতিক বনাঞ্চল রয়েছে তা সুরক্ষিত থাকবে এবং প্রাণীকুলও তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল ফিরে পাবে।

বিষয়:বাংলার প্রকৃতি

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…